Featuredআইন আদালত

ঘরোয়া সহিংসতার শিকার বেশির ভাগ নারীরাই

আইন আদালত ডেস্ক: প্রত্যেক দিন খবরের পাতায় নারী নির্যাতনের খবর। বাড়িতে থেকেও কি নারী সুরক্ষিত?

এমন প্রশ্নই উঠে এল ‘সয়ম’ নামক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দেওয়া তথ্য থেকে। জানা যাচ্ছে ভারতে প্রত্যেক দিন ৯২ জন মহিলা ঘরোয়া সহিংসতার’ শিকার।

দেখা যাচ্ছে, বেশিরভাগ মহিলাই বিয়ের পর কোনো না কোনোভাবে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। সারা বছরে এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াচ্ছে ৪০ হাজার চারশো আঠাশ জনে। বাংলাদেশে আবার এই পারিবারিক স্ত্রী নির্যাতনের সংখ্যা ভয়ঙ্কর জায়গায় পৌঁছেছে। অন্তত ৭৩ শতাংশ মহিলা এই নির্যাতনের শিকার প্রতিবেশি বাংলাদেশে। এই পরিস্থিতি বোঝাতে সংস্থার পক্ষ থেকে একটি ছবি দেখানো হয়। ‘আনটাইং দ্য নটস’ নামক ওই ছবিতে রুমানা মনজুর নামক এক মহিলার লড়াইয়ের গল্প দেখানো হয়। বাংলাদেশের ওই মহিলা তাঁর স্বামীর হাতে ব্যাপক ভাবে আক্রান্ত হন। মারের চোটে দৃষ্টি হারিয়েছিলেন তিনি।

ঘটনা ব্যাপক সারা ফেলেছিল সারা বাংলাদেশ এবং কানাডায়। লড়াই করে ফুঁড়ে এসেছিলেন রুমানা। ছবিতে আরো তিনটি চরিত্রকে দেখানো হয় যারা একইরকম ভাবে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার। এরা অনেকে নিজে পছন্দ করে বিয়ে করেন, কেউবা পরিবারের চাপে। এরা প্রত্যেকেই প্রতিষ্ঠিত পরিবারের পাত্রের সঙ্গে নিজেদের জীবন কাটাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। দেখা গিয়েছে এরা সেই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। পরে এরা কেউ যন্ত্রনা সহ্য করে অন্ধকারে থেকে গিয়েছেন। যারা পারেননি তারা ওই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসেছেন।

খুঁজে নিয়েছেন মুক্তির নতুন পথ। ছবিতে অন্যরকম নাইমার চরিত্র। সে বার বার স্বাধীনচেতা নারীর কথা বলছে। তার দাবি ছিলো, যে তাকে বিবাহ করবে সে যেমন সেটাকে মেনে নিয়েই তাকে ঘরে নিয়ে যেতে হবে। দিনের শেষে তার স্বামীও স্বাধীনচেতা মনোভাবের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেনি। নাইমারও বিয়ে ভেঙে যায়। কিন্তু এতে তার কোনো খেদ ছিল না বাকিদের মতো। কারণ ছবিতে বারবারই তার স্বাধীনচেতা মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। এমনই আরো চারটি ছবি দেখানো হয়। একই বার্তা উঠে এল বাকি সিনেমাগুলি থেকে। নারীর উপর অত্যাচার একটি সামাজিক ব্যাধি। শিক্ষা, অশিক্ষার উপর তা নির্ভর করে না।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close