Featuredযুক্তরাষ্ট্র জুড়ে

যুক্তরাষ্ট্রে পুড়ে যাওয়া বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টের জন্য তহবিল সংগ্রহ

শীর্ষবিন্দু নিউজ, নিউ ইর্য়ক, যুক্তরাষ্ট্র: কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের জেরে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হওয়া বিক্ষোভের সময় পুড়ে যায় বাংলাদেশি-আমেরিকান ব্যবসায়ী রুহেল ইসলামের মালিকানাধীন রেস্টুরেন্ট।

গান্ধী মহল নামের ওই রেস্টুরেন্টটি আবার দাঁড় করাতে ওই ব্যবসায়ীর পাশে দাঁড়িয়েছে মিনিয়াপলিস শহরের বাসিন্দারা। ইতোমধ্যেই ৯০ হাজার মার্কিন ডলারের বেশি তহবিল সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়েছে তারা।

গত ২৫ মে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর মিনিয়াপলিসে পুলিশি হেফাজতে হত্যার শিকার হন জর্জ ফ্লয়েড। এ সংক্রান্ত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ধারাবাহিক বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য।

মিনিয়াপলিস পুলিশ সদর দফতর থেকে সামান্য দূরেই অবস্থিত রুহেল ইসলামের গান্ধী মহল রেস্টুরেন্টটি। বিক্ষোভকারীরা আশেপাশের বেশ কয়েকটি ভবনের সঙ্গে ওই রেস্টুরেন্টে আগুন ধরিয়ে দেয়। ওই সময়ে বেশ কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে রুহেল ইসলাম বলেন, ‘আমার ভবন পুড়ে যাক। বিচার হওয়া দরকার।’ এই বক্তব্য প্রচারের পরেই মিনিয়াপলিসের বাসিন্দাদের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন তিনি।

রুহেল ইসলামের ১৮ বছর বয়সী মেয়ে হাফসা ইসলাম পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস রেস্টুরেন্টটি পুড়ে যাওয়ার খবরে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। কিন্তু বাবার বক্তব্য শোনার পর শান্ত হন তিনি। রুহেল তার মেয়েকে বলেন, ‘আমরা ভবন পুনর্নির্মাণ করতে পারবো কিন্তু একজন মানুষকে ফিরিয়ে আনতে পারবো না। এখানকার বাসিন্দারা এখনও আছে আর আমরা সবাই মিলে তা পুনর্নির্মাণ করতে পারবো।’ হাফসা এক ফেসবুক পোস্টে রুহেলের এই বক্তব্য প্রকাশের পর তা ভাইরাল হয়ে যায়।

পোস্টটি ২০ হাজারেরও বেশি শেয়ার হয়। এগিয়ে আসতে শুরু করে শহরের বাসিন্দারা। হাফসা ইসলামের পক্ষে তার এক বন্ধু খোলেন ‘গো ফান্ড মি’ পেজ। চার দিনের মধ্যে এ থেকেই জোগাড় হয় ৯০ হাজারের বেশি ডলার।

 

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close