Featuredযুক্তরাষ্ট্র জুড়ে

আর্থিক কারণে পাঠাও‘র ফাহিম সালেহ হত্যাকান্ডের স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রে

শীর্ষবিন্দু নিউজ, নিউইর্য়ক, যুক্তরাষ্ট্র: রাইড শেয়ারিং সার্ভিস পাঠাও-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ (৩৩) হত্যাকান্ড নিয়ে তোলপাড় চলছে বাংলাদেশসহ খোদ যুক্তরাষ্ট্রেও।

ফাহিমকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটানে। এর গা শিউরে উঠা বর্ণনা দেয়া হয়েছে সারা দুনিয়ার সংবাদ মাধ্যমে। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে নিউ ইয়র্কের মতো স্থানে কিভাবে এমন ভয়াবহতা সংঘটিত হলো! কি কারণে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে!

তবে তার পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, যে ভয়াবহতার কথা বলা হচ্ছে সে সম্পর্কে তারা কিছুই ঠাহর করতে পারছেন না। তাদের এখন একটাই দাবি, খুনিকে গ্রেপ্তার করা হোক। পরিবারের পক্ষ থেকে দেয়া বিবৃতি প্রকাশ করেছে লন্ডনের অনলাইন ডেইলি মেইল।

ডেইলি মেইল বলছে, যে নরঘাতক আমাদের প্রিয়জনের ওপর পৈশাচিকতা প্রদর্শন করেছে তাকে গ্রেপ্তার ছাড়া আর কোনো ভাষা বা পদক্ষেপ আমাদেরকে স্বস্তি দিতে পারবে না। আমরা এনওয়াইপিডি এবং আইন প্রয়োগকারী অন্য যেসব সংস্থার সদস্যরা এ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের কাছে আমাদের দাবি এই ভয়াবহ অপরাধের কারণ উদঘাটন করুন এবং ফাহিমের খুনিকে বিচারের আওতায় আনুন।

ফাহিম সম্পর্কে আপনারা যা পড়ছেন, সে তার চেয়েও অনেক বেশি ছিল। সে তার চেয়েও অনেক বেশি। তার মেধাবী এবং উদ্ভাবনী মানসিকতা ছিল সবাইকে নিয়ে, যেখানে সে সবাইকে নিয়ে চলতে চেয়েছিল। সে কাউকে পিছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে চায় নি।

যদিও তার স্বজনরা এ সম্পর্কে কোনো ক্লু দিতে না পারলেও নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের (এনওয়াইপিডি) একজন সিনিয়র কর্মকর্তা এনবিসি২’কে বলেছেন, আর্থিক কারণে এই হত্যাকান্ড ঘটে থাকতে পারে। তবে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে এবং বুধবার সকালেও গোয়েন্দারা ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ তন্ন তন্ন করে খুঁনিকে সনাক্ত করার চেষ্টা চালান।

নিউইর্য়ক গোয়েন্দারা, স্থানীয় স্টোর, আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন এবং ট্র্যাফিক ক্যামেরাগুলোও পরীক্ষা করে দেখছিলেন। এসব নিয়ে সারা দুনিয়ার পত্রপত্রিকায় রিপোর্ট ঠাসা।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close