যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। প্রায় এক দশক পর পোলিও ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় গোটা নিউইয়র্কে তা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় অঙ্গরাজ্যজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
যদিও একজনের পোলিও শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে এ বছর তৃতীয়বার জরুরি অবস্থা জারি হলো নিউইয়র্কে। অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ক্যাথি হকাল এর আগে মহামারি করোনায় এবং মাঙ্কিপক্সের কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।
এতে মাংসপেশির দুর্বলতা ও বিকলাঙ্গতা দেখা দেয় এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে স্থায়ী বিকলাঙ্গতা এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হয়। জরুরি অবস্থার ফলে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমে গতি বাড়ে। মেডিকেলের অন্যান্য কর্মী, ধাত্রী ও ফার্মাসিস্টরা পোলিও টিকাদান কর্মী দলে যোগ দেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, নিউইয়র্ক সিটি ও এর আশপাশের চারটি কাউন্টির বর্জ্য পানিতে পোলিও ভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছে। পোলিও হলে শরীরে বিকলাঙ্গতা পর্যন্ত হতে পারে। এখনও পোলিওর কোনো চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়নি, টিকা দেওয়ার মাধ্যমে একে নিয়ন্ত্রণ করা হয়ে থাকে।
জরুরি অবস্থা জারির ফলে নিউইয়র্কে টিকাদানের হার বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, বর্তমান টিকাদানের হার ৭৯ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে তারা।
১৯৫৫ সালে ব্যাপকভাবে টিকাদান শুরু হয়ে ১৯৭৯ সাল নাগাদ পোলিওমুক্ত ঘোষণা করা হয় যুক্তরাষ্ট্রকে। এরপর মাঝে মধ্যে পোলিও শনাক্ত হলেও গত প্রায় এক দশক কারও শরীরে এটি শনাক্ত হয়নি। সাধারণত শিশুদের শরীরে বেশি ছড়ায় পোলিও ভাইরাসটি।
Leave a Reply