শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৩

করিডোর চুক্তি বাতিলের দাবিতে লন্ডনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ

করিডোর চুক্তি বাতিলের দাবিতে লন্ডনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ

করিডোর চুক্তি বাতিলের দাবিতে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমের তীব্র সমালোচনা করেছেন ‘অখন্ড বাংলাদেশ আন্দোলন’এর আহবায়ক হাসনাত আরিয়ান খান।

বিক্ষোভ সমাবেশের বিশেষ অতিথি ‘অখণ্ড বাংলাদেশ আন্দোলন’ এর আহবায়ক ও ‘ইউনাইটেড বেঙ্গল নিউজ’ এর সম্পাদক হাসনাত আরিয়ান খান বলেন, বাংলাদেশের অনৈতিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজনীতিতে বরাবরই ইমম্যাচিওরড ছিলেন। এখন তিনি আরো বেশি ইমম্যাচিওরড। তিনি ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন। ‘র’-এর লোকেরা তাঁর দেখাশোনা করতেন। ভারত সরকার তাঁর পরিবারের খরচ যোগাতেন। এ কারণে ১৯৮১ সালে দেশে পারাখার প্রথম দিন থেকেই তিনি ভারতের সেবাদাসী হিসেবে কাজ করে আসছেন।

শেখ হাসিনা নিজ মুখে বলেছেন, ভারতকে যা দিয়েছি, ভারত সারা জীবন মনে রাখবে। দেশের জনগণকে না জানিয়ে ভারতকে দেয়ার অধিকার তাঁকে কে দিয়েছে? সম্প্রতি করিডোর চুক্তি প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি ভারতের হয়ে পাল্টা প্রশ্ন করে বলেছেন, ট্রানজিট দিলে ক্ষতিটা কী? ইউরোপে কোনো বর্ডার নাই, কিচ্ছু নাই। তারা কি বিক্রি হয়ে গেছে?

শেখ হাসিনার এই কথায় বোঝা যায়, ইউরোপ সম্পর্কে তাঁর কোন ধারনা নাই। ইউরোপে ভারতের মত কোন সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসী দেশ নাই। ভারত আমাদের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, আন্দামান, বিহার ও উড়িষ্যা ভোগ-দখল করছে। আমাদের জমিতে আমাদেরকেই তারা কাটা তারের বেড়া দিয়ে আটকে দিয়েছে। একটা তাবেদার সরকারকে অবৈধ পন্থায় ক্ষমতায় টিকিয়ে রেখে বিগত ১৫ বছরে একে একে এক তরফাভাবে তাদের সকল স্বার্থ হাসিল করে নিয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলিকে সুকৌশলে পঙ্গু করে দিয়েছে। বাংলাদেশের এই স্বাধীন অংশটাকেও তারা এখন গিলে খেতে চাইছে। স্বাধীন সিকিম, হায়দারাবাদকে তারা দখল করে নিয়েছে। কাস্মীরের জনগণের সাথে তারা বার বার বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। সত্তর বছরেও সেখানে গণভোট হয়নি, উপরন্তু কাস্মীরের স্পেশাল স্ট্যাটাসও তারা তুলে নিয়েছে।

ইউরোপের কোন দেশ কি এমন ন্যক্কারজনক আচরণ করছে? ইউরোপের কোন দেশের বর্ডারে কি কাটা তারের বেড়া আছে? এখানেকি সীমান্ত হত্যা আছে। ফেলানীর মত কেউ কি এখানে গুলিবিদ্ধ লাশ হয়ে কাটা তারে ঝুলছে? তাহলে কার সাথে তিনি কার তুলনা করেন? ইউরোপের এক দেশ আরেক দেশের ভেতর দিয়ে তৃতীয় কোন দেশে যেতে পারে। বাংলাদেশ কি ভারতের ভেতর দিয়ে নেপাল, ভূটান, কিংবা চীনে যেতে পারে? যদি তা না হয় তাহলে তিনি কিভাবে উরোপের সাথে বাংলাদেশের তুলনা করেন? ভারত আমাদের মাত্র ৩৫ কিলোমিটার ট্রানজিট দেয় না। আমরা কিভাবে, কার স্বার্থে ভারতকে ৮০০ কিলোমিটার ট্রানজিট দিই? ভারতের রেলওয়েতে শক্তিশালী গোয়েন্দা ইউনিটসহ প্রায় ৮০ হাজার অস্ত্রধারী সদস্য আছে। বাংলাদেশের বুকের উপর দিয়ে ভারতের রেললাইন স্থাপিত হলে, এই ৮০ হাজার অস্ত্রধারী ও শক্তিশালী গোয়েন্দাদের বাংলাদেশ কিভাবে সামাল দেবে?

তিনি বলেন, ইউরোপের কোন দেশের বর্ডারের সাথে বাংলাদেশ আর ভারত বর্ডারের তুলনা করা যায় না। ইউরোপের এক দেশ অন্য দেশের ব্যাপারে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে না। ইউরোপের কোন দেশের সরকার দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেয় না। নৌচুক্তির সময় বলা হয়েছিল বছরে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের মতো লাভ হবে। কিন্তু পরে কি মিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে? হয়নি। একারণে শেখ হাসিনা সরকারের সাথে বাংলাদেশের স্বার্থ বিরোধী ভারতের এই অনৈতিক ও অবৈধ চুক্তিগুলো বাংলাদেশের মানুষ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। শেখ হাসিনা সরকারের কোনো সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করার সাংবিধানিক অধিকার নাই। কারণ তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি নয়। কাজেই জাতীয় স্বার্থে দেশের বন্দর, রাস্তা ও রেলপথ ভারতকে কিছুতেই ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের কৃষি জমি এমনিতেই কমে আসছে। এর ওপর ভারতের ট্রেন চলাচলের জন্যরাস্তা ও অবকাঠামো নির্মাণ করতে গেলে কৃষি জমি আরো কমে যাবে। বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন ১৮ কোটি। কিছুদিন পর ৩০ কোটি হবে, ৪০ কোটি হবে।

জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী ৫০ বছর পর বাংলাদেশের অর্ধেক জমি সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যাবে। তখন এই মানুষগুলো কোথায় থাকবে? কী খাবে? এই যে বিভীষিকা, এইবিভীষিকা রোধ করতে হলে ভারতের কাছ থেকে আমাদের টেরিটরিগুলো ফিরিয়ে নিতে হবে। ভারতকে আমাদের টেরিটরিগুলোফিরিয়ে দিতে হবে। ভারত যেদিন আমাদের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, আন্দামান, বিহার ও উড়িষ্যা আমাদের ফিরিয়ে দিবে একমাত্র সেদিন ভারতকে আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র বলা যাবে। দখলদার ভারতকেকিছুতেই বন্ধুরাষ্ট্র বলা যাবে না।

যুক্তরাজ্য বাংলাদেশ হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, গুন্ডা লেলিয়ে প্রবাসীদের বিক্ষোভ সমাবেশ পন্ড করার চেষ্টা করবেন না। কোন লাভ হবে না। আপনি কোন বিশেষ ব্যক্তি, বিশেষ সরকার বা প্রতিবেশি দেশের রাষ্ট্রদূত না। আপনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত; কথাটা ভুলে যাবেন না। আপনি সরকারকে তুষ্ট করতে চান, আপনি পররাষ্ট্র সচিব হতে চান, হয়ে যান। প্রেসিডেন্ট থেকে কেরানি পর্যন্ত চেয়ার যেহেতু আছে, তাই সেগুলোতে কাউকে না কাউকে বসাতেই হয়। বসানোও হয়। সবাই চেয়ারে বসে ধন্য। কিন্তু বসলে চেয়ার ধন্য হবে, এমন কেউ নেই। যদি থাকতো তাহলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী ১৩ হাজার বাংলাদেশি রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থীকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার মত কালো চুক্তি করতে সে আপনার মত অতি উৎসাহী হতো না।

প্রবাসীরা সুদুর প্রবাসে মানবেতর জীবন যাপন করে দেশে রেমিট্যান্স পাঠায়। এই প্রবাসীরা প্রবাসে থাকলে দেশের লাভ ছাড়া কোন ক্ষতি নেই। অথচ আপনি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ নিজ স্বার্থে হতভাগ্য প্রবাসীদের বলি দিয়ে এই কালো চুক্তি সম্পাদন করেছেন। আপনাদের এই চুক্তির কারণে কিয়ার স্টারমার বাংলাদেশ ও বাংলাদেশিদের নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করার সাহস পেয়েছেন। এতে আমরা যতটা না অপমানিত হয়েছি, কিয়ার স্টারমারের কাছে আপনার লেখা চিঠি পড়ে আমরা তার চেয়ে বেশি অপমানিত হয়েছি। আপনি আপনার চিঠিতে কিয়ার স্টারমারের এই বক্তব্যের নিন্দা জানাননি। ক্ষমা চাওয়ার কথা বলারও সাহস পাননি। এটা খুবই লজ্জার। শেম অন ইউ। আপনারা অবিলম্বে এই কালো চুক্তি বাতিল করুন। ভারতের সঙ্গে সকল অবৈধ চুক্তি বাতিলের দাবিতে দূতাবাসের সামনে যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের এই হাইকমিশন ঘেরাও ও বিক্ষোভ সমাবেশের কথা সরকারকে জানিয়ে দিন। বাংলাদেশের আর এক ইঞ্চি ভূমিও আমরা ভারতকে ব্যবহার করতে দিবো না। বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী সকল চুক্তি বাতিল করতে হবে।

ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী সকল করিডোর চুক্তি বাতিলের দাবিতে মানবাধিকার সংগঠন ‘ইক্যুয়াল রাইটসইন্টারন্যাশনাল (ইআরআই)’ উদ্যোগে ৮ জুলাই যুক্তরাজ্য বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাও ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি ও মানবাধীকার কর্মীরা অংশ নেন।

ইআরআইয়ের সাধারণ সম্পাদক নৌশিন মোস্তারী মিয়া ও সাংগঠনিক সম্পাদক জুবায়ের আহমেদের যৌথ সঞ্চালনায় উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মো: রোকতা হাসান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ‘আমার দেশ ইউকে’র নির্বাহী সম্পাদক অলিউল্লাহ নোমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘অখণ্ড বাংলাদেশ আন্দোলন’ এর আহবায়ক ও ‘ইউনাইটেড বেঙ্গল নিউজ’ এর সম্পাদক হাসনাত আরিয়ান খান।

উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ইআরআইয়ের সহ-সভাপতি মোঃ রোকতা হাসান, সাধারণ সম্পাদক নৌশিন মোস্তারী মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ, মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক মোছা: শাকিলা শারমিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো: গিয়াস উদ্দিন, মাইনোরিটি রাইটস ‌সেক্রেটারি তাহমিনা আক্তার, মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমেদ রনি, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদুল হাসান, বিএনপি নেতা প্রভাষক মোঃ নজরুল ইসলাম, জয়েন্ট সেক্রেটারি মোঃ মহিবুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, ইনফরমেশন এন্ড টেকনোলজি সেক্রেটারি ইমদাদুর রহমান ফাহিম,  প্রচার সম্পাদক শাহীন আহমদ, গুম বিষয়ক সম্পাদক খালেদ আহমেদ, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি একেএম রুহুল আমিন সরকার, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি কাজী মো: এমদাদ, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি তাম্মাম ইসলাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আব্দুল আলিম, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এবাদুর রহমান, মাইনোরিটি রাইটস সম্পাদক আইনুদ্দিন, ইআরআইয়ের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সেক্রেটারি ফায়াজুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল ওয়াহিদ তালিম, সহকারী সম্পাদক ফজল আহমদ, জনসংযোগ সম্পাদক মোঃ মুজাক্কির আলী, সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারি মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান, মাইনোরিটি রাইট সেক্রেটারি শাকিল আহমদ তুহিন, ইআরআইয়ের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সেক্রেটারি ফায়াজুল ইসলাম, ‌অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এবাদুর রহমান, সোশ্যাল ওয়েল ফেয়ার সেক্রেটারি ইরফানুল আলম নিশান, এক্সিকিউটিভ মেম্বার মোঃ আশরাফুল আলম, সদস্য মো:  নাজমুল ইসলাম, সদস্য রেজাউল করিম রাব্বি, সদস্য আহমদ শহীদ তাপাদার, সদস্য তারেক হোসেন, সদস্য আব্দুল মান্নান, ছাত্রদল সদস্য জাহিদুল হাসান, মোঃ মিজানুররহমান, জোমানুল ইসলাম, শিবির নেতা ইমাদুর রহমান ফাহিম, জয়েন্ট সেক্রেটারি ফাহিদুল আলম, জয়েন্ট সেক্রেটারি ও ব্লগার ইয়াসকাউসার, মাইনোরিটি রাইট সেক্রেটারি সৌরভ চৌধুরী, ক্যাম্পেইন সেক্রেটারি আবু জেহাদ, সাংবাদিক শাকিল আহমেদ সোহাগ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হানিফ রাব্বানী মিলাদ, সাপোর্ট বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোস্তাকুর রহমান, সাবেক ছাত্রদল নেতা আবু নাসের তানজিম, স্বেচ্ছাসেবক দল ইউকের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোঃ নাসির উদ্দিন, ফাইট ফর রাইটস ইন্টারন্যাশনালের সহ-সভাপতি আহমেদ আলী, সাবেক সাবেক ছাত্রদল নেতা আলী আশরাফ, যুবদল নেতা মোঃ হাসনাত আল হাবিব, যুবদল নেতা বুরহান উদ্দিন, সাবেক ছাত্রদল নেতা আলী আশরাফ, সাবেক শিবির নেতা মো: জিল্লুর রহমান সাইমন, সাবেক যুবদল নেতা সদরুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা আবু নাসের তানজিম, ছাত্রদল নেতা মোঃ মোস্তাকুর রহমান, এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি তোফায়েল আহমেদ, সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি মাহমুদ হোসাইন, প্রচার সম্পাদক আবু জেহাদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল জাবির, প্রচার সম্পাদক সৌরভ হোসেন রুমান, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোরশেদ আহমেদ খান, ইকুয়াল রাইটস ইন্টারন্যাশনালের সদস্য মোঃ আশরাফুল আলম, এক্সিকিউটিভ মেম্বার শাহরিয়ার কালাম আজাদ, সাবেক শিবির নেতা ও ইআরআইয়ের গুম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ তফুর আহমদ, নরউইচ বিএনপি নেতা শেখ আশরাফুজ্জামান, মোহাম্মদ কামাল হোসেন, সাবেক ছাত্রদল নেত্রী টিনা বেগম, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুর রহমান, সাবেক শিবির নেতা ‌শায়েদ আহমেদ, সাবেক শিবির নেতা আমিনুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটন মিয়া, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ কামাল হোসেন, সাবেক শিবির নেতা মোঃ রাহিদ আলী, লন্ডন মহানগর বিএনপি নেতা আইন উদ্দিন, ছাতক উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক জয়নাল হোসাইন, লন্ডন মহানগর বিএনপির সদস্য মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, ছাতক উপজেলা বিএনপি’র সাবেক দপ্তর সম্পাদক নুরুল আমিন সুজন, সিলেট মহানগর ছাত্রদল নেতা ফাতিন রহিম নাবিল, জকিগঞ্জ উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি মুনির আহমদ খান, সাবেক শিবির নেতা নাঈম আহমেদ, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল করিম রাব্বি, ইআরআইয়ের সদস্য মো: ছাদিকুর রহমান তারেক, ইআরআইয়ের সদস্য সাবেক ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, ছাত্রদল সদস্য মোহাম্মদ আশিক খান, ছাত্রদল নেতা সৈয়দ গজনফর আলী, ইআরআইয়ের সদস্য মহানগর বিএনপি নেতা মোহাম্মদ সাবাজ মিয়া, সাবেক শিবির নেতা মোঃ গিয়াস উদ্দিন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা মোঃ নিজাম উদ্দীন, সিলেট মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও মানবাধিকার কর্মী ছদরুল ইসলাম লোকমান, সাধারণ সদস্য লন্ডন সিটি যুবদল নেতা ও মানবাধিকার কর্মী আজিজুর রহমান প্রমুখ।

প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে মোঃ আবুল কালাম, মাহমুদুল হাসান, মোঃ সিনান সামী, মোঃ ইয়াহইয়া, সাবির আহমেদ, মারুফ আহমেদ, মোঃ শরিফুল ইসলাম, হাসান মোর্শেদ, সাবেক ছাত্রদল নেতানিকোলাস মল্লিক, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মোস্তাকুর রহমান, মাসুম আহমেদ, নাহিম আহমেদ, মিসেস জামিলা খানম, মোহাম্মদ মুজিবুর রাহমান, মোস্তফা ইকবাল, মোঃ ফাহাদ হোসাইন, রাকিব আলী, শাহিন আহমেদ, মোঃ কামাল হোসেন, জুনেদ আহমদ, বাবুল তালুকদার, যুবায়েদ হাসান, রায়হান চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম, এম আশরাফ উদ্দীন, দীপা বেগম, মোঃ শাহাদাত হোসাইন, মোহাম্মদ আল আমিন, মোঃ শাহরিয়ার ওয়াহিদ, মোঃ পারভেজ মিয়া সুজা, মেহেদি হাসান ফাহিম, মুনতাসির মুবিন, মোঃ সাহিদুর রহমান, মোঃ পারভেজ মিয়া সুজা, মুনতাসির মুবিন, মীর ইমরান, মো: তানভীর আহমদ, মোঃ জামিল আহমেদ, মোঃ জবলুল আলম বিপুল, মিজানুর রহমান, তানভীর আহমেদ, ইয়াহিয়া আহমেদ, মো: আবু নাসের তানজিম, মো: আশফাকুল ইসলাম ভুঁইয়া, আব্দুল খালেদ ভুঁইয়া, সালমান মিয়া, নাইমুজ্জামান মাহি, মোস্তাক আহমেদ, কারণ বিশ্বাস, মানাতাকা ইস্তিহাদ সৌরভ, মোঃ শাহাদৎ হোসেন, আব্দুল্লাহ আল ইমরান, রাজীব কান্তিশীল, ফরহাদ হোসেন, মাহফুজ আহমেদ, নাজিম আহমদ, মো: শাহাদাত হোসাইন, সোলেমান আহমদ, মোহাম্মদ আল আমিন, মোঃ শাহরিয়ার ওয়াহিদ, জুনেদ আহমদ, মো: জামিল আহমেদ, মো: মুরাদ হোসেন, এস এম শামসুজ্জোহা, মালেক আহমেদ নাজিম, মো: আবুল হাসান, জাফরুল করিম, তারেক মাহমুদ, সাজ্জাদ হোসেন মোহন, মোঃ শরফ উদ্দিন, আব্দুল ওয়াহিদ তালিম, পার্থ বডুয়া, ভুবন দেবনাথ, মোঃ মাজহার আলী, এম এ হাসনাত, আকিবুল হাসান, সৈয়দ মুহিবুর আলী, তাম্মাম ইসলাম, রহিম আহমেদ হাদি, ইয়াহইয়া আহমেদ, মোঃ আবু সুফিয়ান, মোঃ মোতাসিম বিল্লাহ জাজেব, মোঃ শামছুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জনি, মো: মোস্তাফিজুর রহমান, ছয়েফ আহমেদ, আব্দুল আলিম, মোঃ আনোয়ার হোসেন তুহিন, মোহাম্মদ ফাহিদুল আলম, মোঃ দেলোয়ার হোসাইন, মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ ইমাদ উজ্জামান, মোঃ আব্দুল মোহাইমিন সোহান, এম এম ইয়াজদিন, মো: রেজান আহমদ, সুফিয়ান আহমদ, মো: সাব্বির আহমদ, মো: মাহবুবুর রহমান তানভীর, শুয়েব আহমেদ, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, জিয়া উদ্দিন চৌধুরী, ওসমান মোঃ শাহজাদা রহমান, মোঃ মাহদীন আল নাহিন, ওয়ালিওর রহমান কারণ, মোঃ আবু সুফিয়ান, মোঃ জোবায়ের তালুকদার ও আব্দুল্লাহ হোসেন জাবেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026