সকাল সোয়া ৯টা থেকে থেকে হোটেল সোনারগাঁওয়ে লবিতে অপেক্ষা করতে থাকেন প্রধানমন্ত্রীর দুই উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান ও গওহর রিজভী। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী তাদের সাক্ষাৎ ছিল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে। তবে প্রধানমন্ত্রীর বোন শেখ রেহানা ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সাক্ষাতের জন্য তারা লবিতে অপেক্ষা করছিলেন।
৪৬ মিনিট পর লবিতে প্রথম আসেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী। এরপর দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আবদুল মঈন খান ও সাবিহ উদ্দিন আহমেদ। তারা সবাই ছিলেন খালেদা জিয়ার অপেক্ষায়। লবির এক পাশে ড. মশিউর রহমানকে দেখে এগিয়ে যান মির্জা ফখরুল। কুশল বিনিময় করে দলের নেতাদের নিয়ে অন্যদিকের চেয়ারে বসতে যাচ্ছিলেন তিনি।
এ সময়ে গওহর রিজভী বলেন, ভাই কেমন আছেন। আমাদের ফেলে যাবেন না। হাস্যোজ্জ্বল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জবাব দেন, আমরা তো ফেলে যেতে চাই না। আপনারাই তো আমাদের দূরে ঠেলে দিচ্ছেন। এ সময়ে দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দিন আহমেদকে লক্ষ্য করে গওহর রিজভী হাসিমুখে বলেন, এই তো আমাদের মধ্যে সংলাপ হচ্ছে।
এর ফাঁকে মশিউর রহমান মির্জা ফখরুলের কুশলাদি জিজ্ঞাসা করে বলেন, কি রে তোর শরীর কেমন আছে। আজ তো দেখতে ভালোই লাগছে। ওই সময়ে মির্জা ফখরুলের বললেন: স্যার একরকম। ঢাকা কলেজে অর্থনীতি বিভাগে অধ্যাপনাকালে মশিউর রহমান মির্জা ফখরুলের জ্যেষ্ঠ ছিলেন বলে তাকে সবসময় স্যার সম্বোধন করে থাকেন তিনি। সাত মিনিটের এই আলাপচারিতা হয় লবিতে। নেতারা তখন বসেছিলেন চক্রাকার হয়ে। এই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর দুই উপদেষ্টার পাশে ভারতে বাংলাদেশের হাই কমিশনার তারেক করিমও ছিলেন।