শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ যত দিন খুশি থাকতে পারবেন। সুইডেনে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে করা আবেদনে হেরে যাওয়ার পর গতকাল শুক্রবার ইকুয়েডরের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়। মার্কিন গোপন নথি ফাঁস করে সাড়া জাগায় ওই ওয়েবসাইট।
শনিবার এএফপির খবরে জানানো হয়, যৌন হয়রানির অভিযোগে সুইডেনে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি এখনো বহাল। গ্রেপ্তার এড়াতে অ্যাসাঞ্জ গত দুই বছর ধরে লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে অবস্থান করছেন।
ইকুয়েডরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নিরাপদ আস্তানা না পাওয়া পর্যন্ত রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা অ্যাসাঞ্জ যত দিন প্রয়োজন মনে করবেন, তত দিন এভাবে থাকতে পারবেন। ২০১০ সালে সুইডেন ভ্রমণের সময় দুই নারীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে করা মামলায় আইনজীবীরা অ্যাসাঞ্জকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান। যদিও তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
অ্যাসাঞ্জ সুইডেনের আইনজীবীদের বলেছেন, লন্ডনে গিয়ে, ভিডিওর মাধ্যমে বা বিকল্প কোনো উপায়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে। তবে এ-সংক্রান্ত আবেদনটি আদালত খারিজ করে দিয়েছেন। ইকুয়েডরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সুইডেনের কর্মকর্তারা লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে অ্যাসাঞ্জকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কিংবা ভিডিও কনফারেন্সও করতে পারে।
২০১০ সালে উইকিলিকস আড়াই লাখ মার্কিন কূটনৈতিক তারবার্তা ও পাঁচ লাখ সামরিক গোপন নথি ফাঁস করে আলোড়ন সৃষ্টি করে। অ্যাসাঞ্জের ভয়, তিনি সুইডেনে আদালতের মুখোমুখি হলে তাঁকে আদতে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেওয়া হবে। মার্কিন কর্তৃপক্ষ নথি ফাঁস করার অভিযোগে তাঁকে বিচারে দাঁড় করাবে।