শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: বাঙ্গালী পাড়া হোয়াইটচ্যাপল এলাকায় খালি পড়ে থাকা বা কম ব্যবহৃত স্থানগুলোকে ব্যবহারের আওতায় আনার এক উচ্চাভিলাষি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিল।
ব্যবসা ও সামাজিক ব্যবসার জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য মান সম্মত অফিস স্পেস নিশ্চিত করতে মেয়র লন্ডনের হাই স্ট্রিট ফান্ড এবং টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের তহবিল ব্যবহার করা হবে।
হোয়াইটচ্যাপল এলাকায় বর্তমানে যেসব খালি কিংবা কম ব্যবহৃত বিল্ডিং রয়েছে, সেগুলোকে চিহ্নিত করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার জন্য ওয়ার্কস্পেস হিসেবে ব্যবহারের আওতায় আনতে কাউন্সিলের এন্টারপ্রাইজিং হোয়াইটচ্যাপল ইনিশিয়েটিভ কাজ শুরু করেছে। হোয়াইটচ্যাপল ভিশন রিজেনারেশন প্রজেক্টের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার পর স্পেসগুলো এসএমই বা ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার জন্য বিজ্ঞাপন দেয়া হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের ব্যবসাগুলোর মধ্যে থাকতে পারে কালচারাল/ক্রিয়েটিভ ইন্ডাষ্ট্রিজ, প্রযুক্তি বিষয়ক উদ্যোক্তা এবং কমিউনিটি ও অমুনাফাভোগী সংগঠন।
ভাড়া দেয়ার উপযোগী স্পেসগুলো কম পক্ষে দুই বছরের জন্য ভাড়ায় নেয়া যাবে। তবে এর চেয়ে বেশি সময়ের জন্য কেউ চাইলে নিতে পারবেন। তবে সব স্পেস অবশ্যই স্ট্যান্ডার্ড সার্ভিসসমূহের (যেমন বিদ্যু ও পানি সরবরাহ) সাথে সংযুক্ত থাকতে হবে।
নতুন এন্টারপ্রাইজিং হোয়াইটচ্যাপল ওয়েবসাইটে খালি বিল্ডিংয়ের তালিকা তুলে ধরবে কাউন্সিল। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিল্ডিংয়ের মালিকরা তাদের অব্যবহৃত স্পেস সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য তুলে ধরতে পারবেন। এই উচ্চাভিলাষি প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৯ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করা হবে। হোয়াইটচ্যাপল টাউন সেন্টারকে আরো মুখর করে তুলতে এই উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র, জন বিগস্ বলেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে হোয়াইটচ্যাপল এলাকার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটবে। নতুন ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক উদ্যোক্তাদের জন্য সামর্থের মধ্যে স্পেস প্রদানের এই উদ্যোগের ফলে শিল্পোদ্যোক্তা সৃস্টির উদ্ভাবনী মানচিত্রের কেন্দ্রস্থলে হোয়াইটচ্যাপল স্থান করে নেবে।