শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: নতুন অভিবাসন নীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে ব্রিটেন। এই নীতির সাথেই জড়িয়ে আছে বৃটেনে বসবাসরত লাখ লাখ অভিবাসীর জীবন। কেমন হবে এই নীতি? অভিবাসীদের জন্য সুখকর নাকি আরো বেশী কঠোর। মঙ্গলবার নতুন নীতি ঘোষণার আগেই নীতিমালা সম্পর্কে আগাম আভাস দিয়েছেন ব্রিটেনের ইমিগ্রেশন মিনিস্টার জেমস ব্রোকেনশেয়ার।
তিনি বলেন, নতুন নীতি অভিবাসীদের জন্য বেশ খানিকটা কঠিন হয়ে দাড়াবে। যারা অবৈধ অভিবাসী তাদের জন্য বাধ্যতামুলক জেল। যারা অবৈধ ব্যবসা চালাবে তাদের ব্যবসা বন্ধ করে দেয়া হবে। যারা অবৈধ অভিবাসীদের চাকরি দেবে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বন্ধ করে দেয়া হবে এবং জরিমানা করা হবে। আইন ভঙ্গকারীদের জোর করে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। ব্রিটেন কোনো মধুর দেশ নয় বরং অভিবাসীদের জন্য অনেক কঠিন একটি দেশ।
মন্ত্রী আরো বলেন, হোম অফিসের নতুন নীতি ব্রিটেনকে অভিবাসীদের জন্য অসুখী একটি দেশে পরিণত করবে। বিশেষ করে যারা অবৈধ অভিবাসী এতদিন আইনের ফাঁক ফোকর ব্যবহার করে এখানে বসবাস করছে তাদের সময় শেষ। যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে তাদেরকেও জেলে পাঠানো হবে এবং দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
অভিবাসন মন্ত্রী বলেন, অভিবাসী শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ২০ ঘন্টার বেশী চাকরী করতে পারবেনা। যদি তারা অমান্য করে তাহলে তাদের জেলে যেতে হবে। এ বিষয়ে টিইউসি জেনারেল সেক্রেটারী বলেন, ব্রিটেন সরকার যদি অতিরিক্ত অভিবাসী শ্রমিক নিয়ন্ত্রন করতে চায় তাহলে তারা অবশ্যই দলবদ্ধ ভাবে কাজ করবে।
তিনি আরো বলেন, নতুন অভিবাসন নীতিতে ব্রিটেন সরকার অভিবাসীদের এদেশে আসা বন্ধ করতে চায়না বরং আরো বেশী শ্রমিক আনতে চায়। কিন্তু তা বৈধ উপায়ে হতে হবে। তাদেরকে ব্রিটেনের অভিবাসন আইন মেনে চলতে হবে। নইলে ব্রিটেন তাদের জন্য যন্ত্রনাদায়ক একটি দেশে পরিণত হবে।
ড্রাইভিং ইনস্ট্রাক্টর, ডাক্তার, নার্স, ল্যান্ডলর্ড এবং ব্যাংকাররা অভিবাসীদের সেবা দেয়ার আগে অবশ্যই হোম অফিসের সাথে অভিবাসীর কাগজপত্র চেক করে নিতে হবে। কোন অবৈধ অভিবাসীকে সেবা দিলে তাদের ব্যবসা বন্ধ করে দেয়া হবে এবং লাইসেন্স বাতিল করে দেয়া হবে। এছাড়া বড় ধরনের জরিমানাও ধার্য করা হবে।