বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বহুলআলোচিত সমালোচিত যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সাধারণসম্পাদক ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেকরহমানের
সদ্য নিযুক্ত মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টাব্যারিষ্টার এম এ সায়েম গ্রেফতার হয়েছেন। এক মক্কেলেরআবেদনে জাল ও ভূয়া কাগজ পত্র সন্নিবেশ করার অপরাধেপূর্ব
লন্ডনের নিজ চেম্বার হতে মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ তাকেগ্রেফতার করে।ব্যারিষ্টার সায়েম ছিলেন গণফোরামের ছাত্র সংগঠনছাত্রধারার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
লন্ডনে এসেও গণফোরামেরকমিটি গঠন করতে সক্রিয় ছিলেন তিনি। সেখানে সুবিধাকরতে না পেরে বিএনপিতে ভীড়তে যোগ দেন জাতীয়তাবাদীআইনজীবি ফোরামে।
তারই হস্তক্ষেপে ও কুটকৌশলে দ্বিখন্ডিত হয় জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের যুক্তরাজ্যশাখা। পরবর্তীতে নানা কৌশলে সুচতুর সায়েম দৃষ্টি আকর্ষণকরতে সক্ষম হন তারেক রহমানের।
নানা ছলচাতুরীর মাধ্যমেতিনি দ্রম্নত আর্শীবাদপুষ্ট হয়ে যান বিএনপির দ্বিতীয় মতাধরব্যক্তি তারেক রহমানের।
গণফোরাম থেকে বিএনপিতে যোগ দেয়া ব্যারিষ্টার সায়েমবিএনপিতে যোগ দিয়েই ইউরোপ ও বর্হিবিশ্ব বিএনপিরএকচ্ছত্র নিয়ন্ত্রক হয়ে যান।
যুক্তরাজ্য বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবকদল, যুবদল এবং ইউরোপ বিএনপির বিভিন্ন কমিটিতে তারইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে।
যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সাধারণসম্পাদকের মতো শুরম্নত্বপূর্ণ পদে থেকেও তিনি সম্প্রতিবাগিয়ে নেন তারেক রহমানের মানবাধিকার বিষয়কউপদেষ্টার পদ।
এ নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরূপপ্রতিক্রিয়া লÿ্য করা গেলেও দলীয় হাইকমান্ডের বিরাগভাজনহওয়ায় গণমাধ্যমের কাছে তারা সরাসরি মুখ খুলেননি।
যুক্তরাজ্য বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদলের কমিটি গঠনেব্যারিষ্টার এম এ সায়েমের ছিলো একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ।
দলেরসিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নানাভাবেবুঝিয়ে এসব কমিটির অনুমোদনে তার ব্যাপক ভূমিকাছিলো।
এভাবে সায়েম তার এক ঘনিষ্ট সহযোগী সাবেককলেজ ব্যবসায়ী খোকনকে নিয়ে একের পর এক মিশনবাস্ত্মবায়ন করেন। এই সায়েম-খোকন চক্র নিজেদের স্বার্থহাসিলের জন্য ত্যাগী নিবেদিতপ্রাণ ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদেরকখনোই তারেক রহমানের ধারে কাছে ভীড়তে দিচ্ছে না।
এইসব হাইব্রিডদের প্ররোচনায় আর চক্রান্ত্মে অনেক সময়ভুল সিদ্ধান্ত্ম নিচ্ছেন তারেক রহমান।
সর্বশেষ একজন ফ্রডও প্রতারককে মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা নিয়োগ দেয়াতারেক রহমানের আরেকটি বড় ভুল ছিলো বলে মনে করেনরাজনৈতিক বিশেস্নষকরা।
নেতাকর্মীদের অভিযোগ করেবলেন এসব চাটুকারদের কাছে থেকে বের হয়ে সঠিক সময়েসঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে দল ক্ষতিগ্রস্থ হবে,
সফলতাপাবে না কোন আন্দোলন আর ভেস্ত্মে যাবে তারেক রহমানেরসকল ভবিষ্যত পরিকল্পনা।
দুর্নাম যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না যুক্তরাজ্য বিএনপির।তারেক রহমানের সভার হল ভাড়া নিয়ে যুক্তরাজ্য বিএনপির
এক প্রভাবশালী নেতার ক্রেডিট কার্ড কেলেংকারীসহ একেরপর এক দুর্ণীতি ও কেলেংকারীর কারণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষূর্ণ হচ্ছে।
আর এখন জালিয়াতির অভিযোগের সায়েমেরগ্রেফতার তাতে নতুন মাত্রা যোগ করলো।
জালিয়াতির অভিযোগে তারেক রহমানের আর্শীবাদপুষ্ট ওদ্রম্নত আস্থাভাজন হাইব্রিড নেতা ব্যারিষ্টার এম এ সায়েমেরগ্রেফতার এখন টক অব দ্যা লন্ডন।
যুক্তরাজ্য বিএনপিরকমিটি গঠন থেকে শুরম্ন করে বিতর্কিত উপদেষ্টা নিয়োগ আর
সর্বশেষ এক উপদেষ্টার গ্রেফতারের পর এখন নেতৃত্ব নির্বাচনেভবিষ্যতে তারেক রহমান আরো
কৌশলী ও সচেতন হবেন কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
ইমেইল প্রেরিত সংবাদ