বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১০

চীনে আশ্রয় নিয়েছে মিয়ানমারের প্রায় ১৫০০০ মানুষ

চীনে আশ্রয় নিয়েছে মিয়ানমারের প্রায় ১৫০০০ মানুষ

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসে মিয়ানমার থেকে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে চীনে। দেশটির উত্তরাঞ্চলে কাচিন ও শান রাজ্যে সশস্ত্র গ্রুপের সঙ্গে সেনাবাহিনীর লড়াইয়ের ভয়াবহতায় এসব মানুষ দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় বিষয়ক অফিসের (ওসিএইচএ) মুখপাত্র পিয়েরে পারোন এসব কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, কাচিন ও শান রাজ্যে লড়াইরত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানো খারাপ থেকে খারাপের দিকে যাচ্ছে।

তিনি ইমেইলে মিয়ানমার থেকে এসব কথা বলেছেন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে। সোমবার আপডেট তথ্যে ওসিএইচএ বলেছে, ২০শে নভেম্বর থেকে শান রাজ্যের উত্তরাঞ্চল থেকে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ শরণার্থী হয়েছে। এর বাইরে আভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে ২৪০০ মানুষ। ২০ শে নভেম্বর সেনাবাহিনী ও পুলিশি পোস্টের ওপর হামলা চালায় চারটি সশস্ত্র বিদ্রোহী গ্রুপের জোট।

তারপর থেকেই ওই এলাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে চীনের সঙ্গে মিয়ানমারের সীমান্ত বাণিজ্য বিঘিœত হচ্ছে। নিজেদের ভূখন্ডের ভিতর গোলা ও বুলেট পড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চীন। চীনের সঙ্গে মিয়ানমারের উত্তরের সীমান্ত পাহাড়ময়। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই লড়াই এখন নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে।

এর ফলে যে পরিমাণ মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে তাতে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সুচি তার প্রশাসন শুরু করার সময় শান্তি প্রতিষ্ঠাকে প্রধান অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা অং সান সুচির বেসামরিক প্রশাসন সেনাবাহিনীকে টপকে কিছু করতে সক্ষম হচ্ছে না।

কারণ, সেনাবাহিনী কৌশলে রাজনৈতিক ক্ষমতা আঁকড়ে রেখেছে। বেসামরিক সরকার কি করছে তাতে তাদের পাখির চোখের মতো দৃষ্টি রয়েছে। পিয়েরে পারোন বলেছেন, কাচিন ও শান রাজ্যে লড়াইরত এলাকায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এখন গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন পর্যায়ে রয়েছে।

ফলে হাজার হাজার মানুষের কাভে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা পৌঁছাতে পারছে না মানবিক সংগঠনগুলো। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে (রাখাইন রাজ্যে) দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোর কাজে বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে। সেখানে সরকারি বাহিনী শুরু করেছে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন।

ওদিকে সেনাবাহিনী বলেছে, তারা ২০শে নভেম্বরের হামলার পর শান রাজ্যে অভিযান জোরালো করবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিয়ানমারের এক পুলিশ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, গত এক মাসে শান রাজ্যে কমপক্ষে ১৭০বার সশস্ত্র গ্রুপগুলোর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে সরকারি বাহিনী।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026