শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনে আগামী স্থানীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের আগে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আইডি দেখাতে হবে বা নাম পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে এমন পাঁচটি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। একটি পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে এই পাঁচটি বারায় নতুন এই নিয়ম চালুর ঘোষনা দিয়েছে ইলেক্টরাল কমিশন।
গ
ত কয়েক বছর ধরে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে এই নিয়ম চালু করা হয়েছে। তবে কমিশন তিন বছর আগে ভোটে কারচুপি প্রতিরোধে এ ধরনের নিয়ম চালু হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিল। পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে চিহ্নিত এই পাঁচটি এলাকা হল ওকিং, গৌসপর্ট, ব্রোমলি, ওয়াটফোর্ড এবং স্লাউ।
নতুন এই পাইলট প্রজেক্টকে স্বাগত জানিয়েছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মিনিস্টার ক্রিস স্কিডমোর। তিনি বলেন, বর্তমানে একজনের পরিচয়পত্র দিয়ে অন্য কেউ লাইব্রেরি থেকে একটি বইও নিতে পারে না। একটি পার্সেলও আইডি চেক না করে দেওয়া হয় না। এই অবস্থায় ভোটের সময় একজনের নাম ব্যবহার করে আরেকজন ভোট দেবে সেটা মেনে নেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তবে নতুন এই সিস্টেমের সমালোচনা করেছেন লিবডেমের মুখপাত্র টম ব্রেক। তিনি বলেন, এই সিস্টেমের মাধ্যমে ব্রিটিশ গণতন্ত্রকে খাটো করা হচ্ছ। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও ভোটাধিকার প্রয়োগের আগে আইডি দেখানোর আইন আছে। কিন্ত তাতে ভোট কারচুপি যে বন্ধ হচ্ছে না সেই প্রমাণও ওই দেশগুলোতে আছে। তিনি বলেন, ইংল্যান্ডের নতুন প্রজন্ম এমনিতেই ভোট বিমুখ। নতুন এই সিস্টেমের ফলে নতুন প্রজন্ম ভোটের প্রতি আরো বেশি নিরোৎসাহি হবে বলে শংঙ্কা প্রকাশ করেন লিবডেমের এই মুখপাত্র।
উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডে এক জনের নাম নিয়ে অন্যজনে ভোটাধিকার প্রয়োগের ঘটনা আছে। তবে তা একেবারেই সীমিত। কিন্ত চিন্তার বিষয় হল যতো দিন যাচ্ছে ততো তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৪ সালে ২১ জন ভোটার অন্যের নাম ব্যবহার করে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। আর ২০১৬ সালে এই সংখ্যা বেড়ে ৪৪ এ গেছে।