ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের দল কনজারভেটিভ পার্টি একটি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। ওই আসন গত ২০০ বছরেও কনজারভেটিভদের হাতছাড়া হয়নি। কিন্তু এবার মধ্যপন্থি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির কাছে হেরে বড় ধাক্কা খেলেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
এই হারকে জনজনের জন্য কড়া বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, সংকট এবং কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত হওয়ায় তার থেকে ভোটাররা মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। ২০১৯ সালের নির্বাচনেও এই আসনে কনজারভেটিভ দলের জয়জয়কার ছিল। কনজারভেটিভ প্রার্থী তার প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় ২৩ হাজার ভোট বেশি পেয়েছিলেন সে নির্বাচনে।
এদিকে বিজয়ী মরগান বলেন, উত্তর শ্রপশায়ারের ভোটাররা ব্রিটিশ জনগণের পক্ষে কথা বলেছেন। তারা জোরে এবং স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে বরিস জনসনের দিন শেষ। আমাদের দেশ নেতৃত্বের জন্য চিৎকার করে বলছে, ‘মিস্টার জনসন, আপনি কোনো নেতা নন’।
বিবিসি জানিয়েছে, ১৯৯৭ সাল থেকে নর্থ শ্রপশায়ার আসনের এমপি ছিলেন ওয়েন প্যাটারসন। তার পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া ওই আসনে বৃহস্পতিবার ভোট হয়। তাতে লিবারেল ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হেলেন মরগান কনজারভেটিভ দলের প্রার্থীকে ৫ হাজারেরও বেশি ভোটে হারিয়ে দেন।
এদিকে নির্বাচনে হাড় নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বরিস জনসন। এতে তিনি বলেন, এটি তার দলের জন্য অত্যন্ত হতাশার এক রাত। একটি ভ্যাকসিন কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। জনসন আরও বলেন, আমি মানুষের হতাশার জায়গাটা বুঝতে পারছি। ভোটাররা যা বলতে চেয়েছেন, তা আমি বুঝতে পেরেছি। আমি তাদের এই রায় মেনে নিয়েছি। তাকে প্রশ্ন করা হয় যে, তিনি এই নির্বাচনে পরাজয়ের দায় নিচ্ছেন কিনা।
উত্তরে বরিস জনসন সম্মতি জানিয়ে বলেন, তিনি এই দায় নিচ্ছেন। তবে তিনি আরও বলেন, আমার এখন আসল কাজ হচ্ছে আমরা যা করছি তাই চালিয়ে যাওয়া।
Leave a Reply