পূর্ব লন্ডনের শেডওয়েল এলাকার দুই বেডরুমের ফ্লাটে অন্তত ১৮ জন পুরুষ বাসিন্দা বসবাস করতেন। প্রতি সপ্তাহে জনপ্রতি তাঁরা ভাড়া দিতেন ১০০ পাউন্ড এর মতো।
গত মাসে এই ফ্লাটে আগুন ধরে গেলেেএই ঘটনায় মিজানুর রহমান নামে একজন বাংলাদেশি আহত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
সেদিন যারা আগুণ থেকে প্রাণে রক্ষা পেয়েছিলেন তাঁরা বলছেন, এই ঘটনা তাদেরকে মানসিকভাবে ভীত-সন্ত্রস্ত করে তুলেছে।
এহসান আর তাঁর রুমমেইটরা তাদের ব্যাক্তিগত জিনিসপত্র সবই হারিয়েছেন আগুনে। এরপর থেকে স্থানীয় কমিউনিটি তাদেরকে নানাভাবে সহায়তা দিচ্ছে এবং টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল তাদের হোটেলের খরচ বহন করে আসছে।
কিন্তু সোমবার থেকে অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্তের হোটেল ভাড়া দেয়া বন্ধ করে দেবে কাউন্সিল। লন্ডনে এমনিতেই ঘর ভাড়া অনেকের সাধের বাইরে। এর উপর ভালো রেফারেন্স এবং ডিপোজিট ছাড়া ঘর ভাড়া পাওয়া দুঃসাধ্য।
শেডওয়েলের এই ফ্ল্যাট কীভাবে অস্বাভাবিক ঘনবসতিপূর্ণ হয়ে উঠলো, বিষয়টির ফৌজদারি তদন্ত চলছে। ফ্লাটের ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা বলছে, তাঁরা শুধুমাত্র নিরাপদে বসবাসের একটা জায়গা চায়।
টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের একজন মুখপাত্র বলেছেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করতে এবং তাদের কল্যাণের বিষয়টি দেখাশোনা করতে কাউন্সিল সর্বোচ্চ অবদান রেখেছে।
এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে তাদের বসবাসের ব্যবস্থা করে নিতে পারে সে জন্য তাদেরকে যথেষ্ট সময় এবং নিয়মিত নোটিস দেয়া হয়েছে।
কাউন্সিল জানিয়েছে, আইনগতভাবে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্তদের এই সহায়তা দিতে বাধ্য নয়। তারপরও তাদের জন্য কাউন্সিল এ পর্যন্ত প্রায় ১০০ হাজার পাউন্ড খরচ করে ফেলেছে।
Leave a Reply