আমিনুল ইসলাম মিঠু: সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার যোগ দেওয়া না দেওয়া নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বিএনপি। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বেগম জিয়ার যোগদানের বিষয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দলটির একটি নির্ভযোগ্য সূত্র।
ইতোমধ্যে শুরু হওয়া সশস্ত্রবাহিনীর এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার পাশাপাশি দেশের রাজনীতিক, কূটনীতিক ও ঊর্ধ্বতন বেসামরিক কর্মকর্তারাও যোগ দেবেন আশা করছেন অনেকে। বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাথে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্রি. জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আমিন চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর এ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে গত ২০০৮ সাল থেকে গত বছর অর্থাৎ ২০১২ সাল পর্যন্ত বিগত ৫ বছরে সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জ চত্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া উপস্থিত হয়েছেন তিন বার। এর মধ্যে মাত্র দুই বার দুজনের মধ্যে কথা হয়েছে। আর দুই বার খালেদা জিয়া যোগ দেননি। এছাড়া বাকি এক বার দুজনেই যোগ দিলেও মুখোমুখিও হননি এবং তাদের মধ্যে কোনো কথাও হয়নি। এর আগের সেনাকুঞ্জের ৫টি অনুষ্ঠান সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে অনুষ্ঠিত সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দুই নেত্রীর দেখা হয়েছিল এবং বেশ কিছুক্ষণ কথাও হয়েছিল।
এছাড়া সর্বশেষ ২০০৯ সালে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে দুই নেত্রীকে কাছাকাছি দেখা গিয়েছিল। শেখ হাসিনা সেদিন খালেদা জিয়ার সাথে কুশল বিনিময়সহ তাকে সংসদে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এরপর ২০১০ ও ২০১১ সালের সশস্ত্র বাহিনী দিবসে বেগম জিয়া প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেননি।