শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫

হ্যারি-মেগানের নতুন পরিচয় জানালেন রাজা চার্লস

হ্যারি-মেগানের নতুন পরিচয় জানালেন রাজা চার্লস

যুক্তরাষ্ট্রের থেকে সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে ফিরেছেন প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল।

তবে ব্রিটেনে ফিরলেও তাদের রাজপরিবারের ‘কার্যকর সদস্য’ বা ওয়ার্কিং মেম্বার হিসেবে বিবেচনা করা হবে না বলে সোমবার এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন রাজা তৃতীয় চার্লস। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

হ্যারি-মেগানের প্রত্যাবর্তনের পর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে নির্দেশনা চাওয়ার প্রেক্ষাপটে রাজপ্রাসাদের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা লর্ড চেম্বারলেইনের পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেওয়া হয়।

বিভ্রান্তি এড়াতে দেওয়া ওই চিঠিতে রাজা চার্লস স্পষ্ট করেন, এই দম্পতির বর্তমান মর্যাদা সাধারণ নাগরিকদের মতো। তাই তাদের ‘হিজ রয়্যাল হাইনেস’ বা ‘হার রয়্যাল হাইনেস’ উপাধিতে ভূষিত করা যাবে না।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিউক ও ডাচেস অফ সাসেক্স যে রাজপরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন এবং তারা যে আর ‘ওয়ার্কিং রয়্যাল’ নন- সেটি বহুল পরিচিত।

এই অবস্থান তাদের ব্যক্তিগত স্বায়ত্তশাসন, আর্থিক স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করার সুযোগ দেয়, যা ভবিষ্যতেও পূর্ণ সম্মান পাবে।

‘ওয়ার্কিং রয়্যাল’ বলতে মূলত রাজপরিবারের সেইসব সদস্যদের বোঝানো হয়, যারা সম্রাটের পক্ষে দাফতরিক ও রাজকীয় বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে থাকেন এবং এর বিনিময়ে রাজপ্রাসাদ থেকে প্রশাসনিক সুবিধা ও অন্যান্য সহায়তা পান।

বর্তমানে যুক্তরাজ্যের সক্রিয় রাজপরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন রাজা চার্লস, কুইন ক্যাটরিনা (ক্যামিলা), চার্লসের বড় পুত্র ও উত্তরাধিকারী প্রিন্স উইলিয়াম, তার স্ত্রী ক্যাথরিন (প্রিন্সেস অব ওয়েলস), চার্লসের বোন প্রিন্সেস অ্যান, ভাই এডওয়ার্ড ও তার স্ত্রী সোফি।

এছাড়া প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কয়েকজন নিকটাত্মীয়ও এই তালিকায় রয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাসেক্সের ডিউক ও ডাচেস বর্তমানে মধ্য ইংল্যান্ডের কোটসওল্ডস এলাকায় বসবাস করছেন এবং আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য সন্তানদের সেখানকার একটি বেসরকারি স্কুলে ভর্তি করিয়েছেন।

এদিকে যুক্তরাজ্যে ফেরার পর হ্যারি-মেগানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব ছাড়ার পর রানি এলিজাবেথ তাদের ‘রয়্যাল হাইনেস’ খেতাব, সরকারি তহবিল এবং সার্বক্ষণিক পুলিশি নিরাপত্তা বাতিল করেছিলেন।

পরবর্তীতে সরকারের সঙ্গে এ নিয়ে হ্যারি আইনি লড়াই চালালেও হেরে যান। তবে স্থায়ীভাবে দেশে ফেরার পর ব্রিটেনের ‘রয়্যাল অ্যান্ড ভিআইপি এক্সিকিউটিভ কমিটি’ হ্যারির জন্য নিরাপত্তা হুমকির বিষয়টি পুনরায় পর্যালোচনা করে দেখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য রাজপরিবারের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে ২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব ছেড়ে যুক্তরাজ্য ত্যাগ করেছিলেন এই দম্পতি।

তবে গত মাসে সবাইকে অবাক করে দিয়ে সাত বছর বয়সী ছেলে আর্চি ও পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে লিলিবেটকে সঙ্গে নিয়ে ৪১ বছর বয়সী হ্যারি ও ৪৫ বছর বয়সী মেগান ফের স্থায়ীভাবে যুক্তরাজ্যে বসবাস শুরু করেন।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026