শীর্ষবিন্দু নিউজ: বিএনপির আন্দোলন সরকার পতনের জন্য না হয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক উল হক। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার ও স্বাধীনতা-র্সাবভৌমত্ব রক্ষায় প্রহসনের নির্বাচন স্থগিতপূর্বক সমঝোতার নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের দাবিতে পেশাজীবী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সংগঠনের আহ্বায়ক রুহুল আমীন গাজীর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি আ.স.ম আব্দুর রব, জাতীয় পার্টির স্বঘোষিত চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমদ, বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, গণস্বাস্থ্য বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি মুক্তিযোদ্ধা ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
এছাড়াও আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদষ্টো এনাম আহমেদ চৌধুরী ও ডা.এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ডা.এ কে এম আজিজুল হক, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি চাষী নজরুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উদ্দীন খোকন, ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ প্রমুখ।
এ সময় ব্যারিস্টার রফিক উল হক বলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪টি আসনে প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন এটা কখনও গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না। এটা একনায়কতান্ত্রিক নির্বাচন। তিনি আরও বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ করতে হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দরকার। সুতরাং বিএনপির উচিত সরকার পতনের আন্দোলন না করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন করা। ব্যারিস্টার রফিক বলেন, সরকার প্রধান ছাড়া বাংলাদেশ তথা কোন রাষ্ট্র চলতে পারে না। সুতরাং সরকারের পতন নয়, একজন গ্রহণযোগ্য সরকার কিভাবে আনা যায় সেজন্য আন্দোলন করতে হবে।