পরদিন ভোরে যাত্রীদের নিয়ে ঢাকার পথে উড়াল দেয়ার কথা রিজেন্ট জানালেও ৪৮ ঘণ্টায়ও যাত্রীরা ফ্লাইটের দেখা পাননি। ওই ফ্লাইটের এক যাত্রী নাজমুল হোসেন সবুজ শনিবার সন্ধ্যায় মালয়েশিয়া থেকে টেলিফোনে তাদের দুর্ভোগের কথা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান।
তিন দিনে কয়েকবার ফ্লাইটের নতুন সময় নির্ধারণ করা হলেও শেষ পর্যন্ত ফ্লাইটের দেখা মেলেনি।কথা বলার জন্য রিজেন্টের কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের জন্য গত তিনদিনে খাবার বা থাকার কোনো ব্যবস্থাও করা হয়নি। এখানে নারী ও শিশুরা আছেন, তাদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। হয়রানির প্রতিবাদে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন ওই ফ্লাইটের আটকে পড়া যাত্রীরা।
এনিয়ে রিজেন্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এর জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) এসএম রিয়াজুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আমরা রোববার দিবাগত রাত ২টায় তাদের নিয়ে আসব। খাবার নিয়ে যাত্রীদের অসন্তোষের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সব সময়ই যাত্রীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করি।