আব্দুল্লাহ আল নোমান: পুরান ঢাকার ইফতারি এখন সিলেটের বাজারে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে। বিভিন্ন দামের এসব ইফতারি আকৃষ্ট করছে রোজাদারদের। চালু করা হয়েছে নানা মূল্যের ইফতারি প্যাকেজ।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে- পুরান ঢাকার অভিজাত ইফতারির মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমাদৃত হচ্ছে বড় বাপের পোলায় খায়। এছাড়াও কবুতর রোস্ট, মোম্বাই চিকেন রোস্ট, হাঁসের রোস্ট, মাটন পেগ রোস্ট, কাটি কাবাব, বিফ কাবাব, উইংস, শামি কাবাব, বোম্বাই চপ ও সমুছা, মাছের কাবাব, সাসলিক, ঝাল সমুছা, বোম্বাই পরোটা, মোরগ খিচুড়ি আর ফালুদা তো আছেই। বাহারি রঙের পোলাও, পিয়াজু, বেগুনী, চানাভূনা, পাকুড়া, শাকচপ, জিলাপীসহ বিভিন্ন ধরনের আইটেমের পাশাপাশি রয়েছে শাহী শরবতসহ বিভিন্ন ফলমূলের শরবতের সমাহার।
এসব ইফতারির বাজার মূল্যও রয়েছে ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে। সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ‘বড় বাপের পোলায় খায়’। হাঁসের রোস্ট সাড়ে চারশ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া কবুতর রোস্টসহ অন্যান্য ইফতার সামগ্রী সাড়ে তিনশ থেকে শ’খানেক টাকার মধ্যেও পাচ্ছেন ক্রেতারা।
ইফতার ক্রয় করতে আসা দক্ষিণ সুরমার জৈনপুর এলাকার আনোয়ার হোসেন বলেন, এবার দ্রব্যমূল্য বেশি হলেও ইফতার সামগ্রী ক্রয়ে আমরা কিছুটা হলেও সন্তোষ্ট। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, অতিরিক্ত রং ও বেসন দিয়ে ইফতারির আকর্ষণ বাড়ানো হচ্ছে। যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এ ব্যাপারে মনিটরিং ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
নগরীর চারাদিঘীর পাড়ের বাসিন্দা শফিক আহমদ বলেন, বাহারি রংয়ের ইফতারি থাকলেও সবকিছুতে রং মেশানো। ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়াতে বিক্রেতারা খাদ্যজাতীয় দ্রব্যে রং মেশাচ্ছেন। প্রশাসনের এদিকে নজর দেয়া উচিত। নগরীর জিন্দাবাজার পালকি রেস্টুরেন্টের সত্বাধিকারী ফজলুর রহমান বলেন, এবার রমজানে রোজাদারদের জন্য ব্যতিক্রমী ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে। তবে এখন বিক্রি আশানুরূপ না হলেও দশ রমজানের পরে বাজার জমে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।