মাজেদুল নয়ন: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) আর্থিক ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সরকারদলীয় চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা। তলে তলে অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ব্যয়ের শ্বেতপত্র প্রকাশ করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুমকিও দিয়েছেন তারা।
পদোন্নতি নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রকল্পগুলোর আর্থিক ব্যয়ের শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে বুধবার দুপুরে বিএসএমএমইউ’র শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের পদোন্নতি নীতিমালা প্রণয়ন, উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর আর্থিক ব্যয়ের শ্বেতপত্র প্রকাশ, সব স্তরের শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীদের আর্থিক প্রণোদনার ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয় অবস্থান কর্মসূচিতে। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের জন্য আসবাবপত্রসহ হোস্টেল ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, শূন্য পদে শিক্ষক ও মেডিকেল অফিসার নিয়োগ, উচ্চতর ডিগ্রিপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসারদের কনাসালট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা আনার দাবিতে অবস্থান কমসূচি পালন করেন চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা।
এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান দাবিগুলোর প্রতি একাত্মা প্রকাশ করে অবস্থান কমসূচিতে অংশ নেন। এরপর স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, স্বাচিপের বিএসএমএমইউ শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. এ এস এম জাকারিয়া স্বপনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবিগুলো পূরণে আশ্বাস দিলেও অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকদের কাছ থেকে দু’সপ্তাহ সময় চান এবং ওই সময়ের মধ্যে দাবিগুলো পূরণ না হলে কঠোর কমসূচি পালনের অঙ্গীকার করেন।