নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবে ওমরাহ পালনের পাশাপাশি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে সাংগঠনিক নানা বিষয় আলোচনা হয়েছে। ঢাকা মহানগর কমিটি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সাংগঠনিক অবস্থা, আগামী দিনের আন্দোলন নিয়ে দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরব যাওয়ার পর বিএনপির দুই শীর্ষ নেতা, মা- ছেলের মধ্যে একান্তে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। তবে ঠিক কী সিদ্ধান্ত হয়েছে বা সুনির্দিষ্ট কী আলোচনা হয়েছে তাঁদের সঙ্গে সফরে থাকা ব্যক্তি, কর্মকর্তাদের সবাই নিশ্চিত নন। সৌদি আরব সফরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকা একজন প্রথম আলোকে বলেন, ওমরাহ পালনের লক্ষ্যে সৌদি আরব সফরে ধর্মীয় ও পারিবারিক বিষয় মূল ছিল। তারেক রহমান বেশি সময় কাটিয়েছেন মসজিদে। তবে কিছু রাজনৈতিক আলোচনাও তাঁদের দুজনের মধ্যে হয়েছে। এর বাইরে খাওয়ার টেবিলে অনেক সময় রাজনৈতিক আলোচনা হয়েছে।
খালেদা জিয়ার সফরে থাকা ওই ব্যক্তি বলেন, এমন একটি আলোচনার সময় তিনিও খাওয়ার টেবিলে ছিলেন। তখন ঢাকা মহানগর কমিটি নিয়ে আলোচনা ওঠে। এ সময় তারেক রহমান বলেন, নতুন কমিটি কি আসলে কিছু করতে পারবে? আন্দোলন, সংগ্রাম কতটুকু সফল করতে পারবে? এক মাসের মধ্যে কি সম্মেলন করা সম্ভব?
সৌদি আরব পৌঁছানোর পর প্রথম দুই দিনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মধ্যে একাধিকবার একান্ত কিছু আলোচনা হয়েছে। উপস্থিত না থাকলেও এসব বৈঠকে সহায়তা করেছে এমন একটি সূত্র জানিয়েছে, তাঁদের মধ্যে আগামী দিনের আন্দোলনের কৌশল ও রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ঈদের পর এ নিয়ে স্থায়ী কমিটি ও জোটের সভায় এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে।
গত ১৯ জুলাই রাতে ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। একই বিমানে দুবাই থেকে তাঁর সঙ্গে যোগ দেন তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারেকের স্ত্রী, কন্যাও ছিলেন সঙ্গে। গতকাল শনিবার রাতে দেশে ফেরেন খালেদা জিয়া।