রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ১১:০৩

মরিচে ঝাল, সবজি-ডিমের দামও চড়া

মরিচে ঝাল, সবজি-ডিমের দামও চড়া

মফিজুল সাদিক: ঢাকা মহানগরীর কাঁচাবাজারগুলোতে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহ জুড়ে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অপরদিকে, আড়াইশ গ্রাম কাঁচা মরিচ কিনতে হলে ৪০ টাকা গুণতে হচ্ছে ক্রেতাকে। মরিচের দাম বৃদ্ধির জন্য সরবরাহ কমে যাওয়া ও বৃষ্টিকেই দায়ী করেছেন বিক্রেতারা।

হাতিরপুল কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা ফরিদ বাংলানিউজকে জানান, বর্ষার কারণে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। প্রতি পাল্লা (পাঁচ কেজি) ৬০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। সামনে কাঁচা মরিচের দাম আরো বাড়বে। মরিচের সঙ্গে বেড়েছে সব ধরনের সবজির দামও।

বৃহস্পতিবার পলাশী কাঁচাবাজারে প্রতি কেজি বরবটি ৫০, ঢেঁড়স ৪০, শসা ৩০, বেগুন ৩০ থেকে ৪০, করলা ৩০ থেকে ৪০, মুলা ৪০, গাঁজর ৬০, টমেটো ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কমেছে পেঁপের দাম। কেজিপ্রতি ৫ টাকা কমে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বেড়েছে ডিমের দাম। ফার্ম ও হাঁসের ডিম হালিপ্রতি দুই থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। মহাখালী কাঁচাবাজারে প্রতি হালি সাদা ডিম ৩৪ থেকে ৩৫ ও হাঁসের ডিম ৩৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিম বিক্রেতা উজ্জ্বল হোসেন জানান, বর্তমানে ১০০টি ডিম পাইকারি বাজারে ৮৩০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। চারদিনে আগে আমরা একই ডিম ৭৮০ টাকায় কিনেছিলাম; যে কারণে হালিপ্রতি ডিমের দাম ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। তবে সব ধরনের মাংসের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। পলাশী কাঁচাবাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য মাংসের দাম স্থিতিশীল আছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস ২৯০ থেকে ৩০০, খাসি ৪০০ থেকে ৪৫০ ও দেশি মুরগি ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম। গত সপ্তাহে নগরীর মহাখালীর কাঁচাবাজারে প্রতিকেজি বাছাইকৃত দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেলেও শুক্রবার সব ধরনের পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। বর্তমানে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ ৪৩ থেকে ৪৬ ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো বাজারে বাছাইকৃত দেশি পেঁয়াজ ৪৮ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে।

গত সপ্তাহের মতো বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে, মোটা ও চিকন চাল। জিরা নাজিরশাইল ৫৮ থেকে ৬০, হাচকি নাজিরশাইল ৪২, পারিজা ৪০, মিনিকেট চাল ৪৮ থেকে ৫০, আটাশ চাল ৪৫, মোটা চাল ৩৮, পাইজাম ৪২ থেকে ৪৩, চায়না ইরি ৩৪ থেকে ৩৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি চিকন দানা মসুর ডালের দাম কেজিপ্রতি ৫ টাকা বেড়ে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে মসুর মোটা দানার দাম স্থিতিশীল আছে। মোটা দানা (কানাডা, তুরস্ক) ৮০ থেকে ৮৫ ও নেপালি চিকন দানা মসুর ডাল ১১০ থেকে ১১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে প্রতি কেজি মুগডাল ১১০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে স্থিতিশীল আছে আটা ও ময়দার দাম। ২ কেজি ওজনের প্যাকেটজাত ময়দা ৮৬ ও আটা ৭৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি খোলা চিনি ৪৬ ও প্যাকেটজাত ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। রসুনের দাম স্থিতিশীল থাকলেও কমেছে আদার দাম। প্রতি কেজি চায়না রসুন ৮০ ও দেশি রসুন ৭০ থেকে ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কেজিপ্রতি ২০ টাকা কমে দেশি আদা ১৮০ ও ৩০ টাকা কমে ভারতীয় আদা ২৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সূত্র: বাংলানিউজ২৪




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2024