নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনে কনজারভেটিভ সরকার এককভাবে ক্ষমতায় আসার পর প্রথমবারের মতো স্টুডেন্ট ভিসায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আর পরিবর্তিত নিয়মে বাংলাদেশিসহ নন ইউরোপীয় শিক্ষার্থীদের স্টুডেন্ট ভিসায় কাজের সুযোগ থাকবে না। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পুনরায় ভিসা বাড়াতে ফেরত যেতে হবে নিজ দেশে।
এছাড়া বন্ধ হয়ে যাবে ব্রিটেনে স্থায়ী হবার সুযোগও। এতে চরম দুশ্চিন্তায় আছেন হাজার হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রথম পছন্দ ব্রিটেন। তবে, ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ সরকারের নতুন ইমিগ্রেশন নীতিমালায় দিন দিন কঠোর হচ্ছে ব্রিটেনে পড়ালেখার সুযোগ। আর যারা ইতোমধ্যে ব্রিটেনে আছেন তারাও রয়েছেন নানামুখী দুশ্চিন্তায়। বর্তমানে পড়ালেখার পাশাপাশি কাজের সুযোগ থাকলেও তা এখন আর থাকবে না, লেখাপড়া শেষে ফেরত যেতে হবে নিজ দেশে।
ব্যারিস্টার তারেক চৌধুরী বলেন, যারা পাবলিক কলেজে পড়াশুনা করে তারা আগামী মাস থেকে কাজ করতে পারবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করলে ছাত্ররা একই পর্যায়ে ভিসা বাড়ানোর জন্য আবেদন করতে পারবে না। আর কলেজে যারা পড়ে তাদেরকে বাংলাদেশে ফেরত যেতে হবে এবং সেখান থেকে পুনরায় ভিসা নিয়ে আসতে হবে।
এদিকে, ইমিগ্রেশন নীতিমালা পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ থেকে উচ্চ শিক্ষার্থে ব্রিটেনে যাওয়ার হার দিন দিন কমছে।
স্টুডেন্ট কনসালটেন্ট মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, এ অবস্থা যদি চলতে থাকে তাহলে একটা পর্যায়ে দেখা যাবে ছাত্রছাত্রীদের আসার সংখ্যা শূন্যের কোঠায় এসে দাঁড়াবে এবং বাংলাদেশ এই মেধাবী শিক্ষার্থীদের মেধা বিচরণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে। অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বলছেন,বর্তমান নীতিমালায় তাদের শিক্ষা কার্যক্রমে বেশ প্রভাব ফেলবে।
আর এসব ইমিগ্রেশন নীতিমালা পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য ব্রিটেনে পড়তে আসা শিক্ষার্থীরা যাতে পড়ালেখার পর এখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে না পারে।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার স্বপ্নের ব্রিটেন এখন নেই আগের মতো। ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ সরকারের নতুন কঠোর ইমিগ্রেশন আইনের নীতিমালার কারণে বারবার ঘুরপাক খাচ্ছে ব্রিটেনে পড়তে আসা নন ইউরোপীয়সহ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভাগ্য।