শীর্ষবিন্দু নিউজ: বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সংবাদে বলা হয়, পুলিশী হেফাজতে থাকা আসামীদের মৃত্যু এবং মারাত্নক কোন দূঘর্টনা বা বড় কোন ধরনের বিষয়ে জরুরী ভিত্তিতে রিভিউর ঘোষনা দিলেন হোম সেক্রেটারী থেরেসা মে।
প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ওঠে আসে, গত ৫ বছরের ভিতরে পুলিশী হেফাজতে সব চাইতে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ২০১৪ সালে। এসব ঘটনায় কোন অফিসারকেই দোষী সাব্যস্থ করা হয়নি।
২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল ভেতরে পুলিশী হেফাজতে ২শত ২৪টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০১৪ সালেই ঘটে ১৭টি। জানা যায়, পুলিশী হেফাজতে ব্লাক কমিউনিটি এবং এথনিক মাইনোরিটি কমিউনিটির সংখ্যা বেশি।
ব্রিকস্টনের বাসিন্দা মার্সিয়ার ভাই সোয়ান রিগ ২০০৮ সালে পুলিশ হেফাজতে মৃতুবরণ করেন। ২৪ বছরের সোয়ান পেশায় মিউজিয়ান ছিলেন। একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে হ্যান্ডকাফ পড়া অবস্থায় মাঠিতে উপুড় হয়ে শোতে বাধ্য করা হয়। এরপরে তাকে ব্রিকস্টন পুলিশ স্টেশনের কাস্টডিতে নেয়ার পর মৃতুবরণ করেন।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সেখানে গিয়েও তিনি ফ্লোরে পড়ে যান। কিছুক্ষন পরে পুলিশ কাস্টডিতে মৃত্যুবরণ করেন সোয়ান রিগ। তার শরীরের উপর পুলিশী অফিসারদের অযথা শক্তিপ্রয়োগিএবং চাপের কারণেই তার মৃত্যু হয় বলে তদন্তে বেরিয়ে আসে। কিন্তু এ কারণে কোন পুলিশ অফিসারকে অভিযুক্ত করা হয়নি।
এরপর থেকে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু বন্ধে ক্যাম্পেইনে নামেন মার্সিয়া রিগ। আর তাই মার্সিয়া রিগ এবং তার আইনজীবি ডানিয়েল ম্যাকোভারের মিশন শেষ পর্যন্ত সফল হতে শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার ব্রিকস্টন পুলিশ স্টেশনের কযেক শত গজ দূরে একটি হলে আয়োজিত এ অনুষ্টানে হোম সেক্রেটারী থেরেসা মে ঘোষণা বলেন, ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর কারনগুলোকে নতুন করে থতিয়ে দেখার হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৃত্যুবরনকারী সোয়ানের পরিবারের সদস্যরা।