শীর্ষবিন্দু নিউজ: ব্রিটেনে ক্ষমতাসীন বর্তমান কনজারভেটিভ সরকারের ক্রমাগত বেনিফিট কাটের ফলে বিপদে পড়তে যাচ্ছে প্রায় ২ শত ২৫ হাজার বাংলাদেশী।
কনজারভেটিভ সরকারের চেন্সেলর জর্জ অনবর্ন এর ২০১৫ সালের চলতি বাজেটে এথনিক মাইনোরিটি ও ব্লাক মাইনোরিটি মানুষের জীবনমান এবং স্বাভাবিক জীবন যাত্রাকে শুধু ব্যাহত করবে না। তাদের নিদারুন কষ্ট এবং গরীব ধেকে আরো গরীবি জীবনের মধ্যে ধাবিত করবে।
বিশেষ করে মুসলিম জনগণ সব চােইতে বয়াবহ অবস্থার ম্যে থাকবেন যেহেতু আয় কমে যাবে দারুনভাবে যা বাঙ্গালী কমিউনিটির জন্য বেচে থাকা কষ্ট সাধ্য হয়ে দাড়াবে।
চ্যন্সেলর আগামী ২০২০ সারে মধ্যে মিনিমান বেতন ঘন্টায় ৯ পাউন্ড বৃদ্ধি করার কথা বলেছেন কিন্তু ট্যাক্স ক্রেডিট এবং ওয়েলফেয়ার বেনিফিট সেই সাথে কাট করার কারণে এথনিক মেইনোরিটির জণগন বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
ব্রিটেনের চ্যারিটি সংগঠন রানীমেইড তাদের এব বৃহত্তর পরিসরে পারিচালিত গবেষণা রিপোর্টে এমন এ তথ্য প্রকাশ করেছ্ যেখানে উল্লেখ্য করা হয়েছে যে, এথনিক মাইনোরিটির জনগণ সাদা কমিউনিটির চেয়ে দ্বিগুন হারে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন।
রিপোর্টে বলা হয়, বাজেট কাটের ফলে ঘরপ্রতি এথনিক মাইনোরিটি ১১ শতাংশ, ইকের জনগণের মধ্যে ১৪ শতাংশ, এর মধ্যে ঘরপ্রতি ১৫ শতাংশ, ইউকেব্যাপী ঘরপরতা হিসেবে ২৫ শতাংশ। এই বাজেটের ফলে বেশি পরিমাণ ক্ষতিগস্থ হবেন, নিম্ন আয়, কম বয়স, শিশু দারিদ্রতা, কম সংখ্যকের পেনশন এবং অধিকহারে পার্ট টাইম কাজ করছেন যারা।
রানীমেইডের তথ্য অনুযায়ী, সাদাদের তুলনায় বাংলাদেশী জনগণ সাতভাগ বেশি পরিমান পার্ট টাইম কাজ করে থাকে। আর দেশব্যাপী প্রতি তিনজনের একজন বাংলাদেশ িরয়েছের যারার পার্ট টাইম কাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন, পক্ষান্তরে তুলনামূলকভাবে ৯ শতাংশ ভারতীয়, ১০ শতাংশ ব্ল্যাক ক্যারাবিয়ান, ১২ শতাংশ ব্ল্যাক আফ্রিকান ও চাইনিজ, ১৮ শতাংশ পাকিস্থানী পার্ট টাইমে আছেন।
রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, প্রায় ২২৫,০০০ বাংলাদেশী মধ্যে অর্ধেকই এই বেনিফিট কর্তনের ফলে ১০০০ পাউন্ড করে হারাবেন। অধের্কের বেশী বাংলাদেশী ও পাকিস্থানী আলাদাভাবে ৭৫০০০০ তথা ২০০০০০ মতো ঘরপ্রতি এই বেনিফিট কর্তনের ফলে জীবন নির্বাহে সরাসরি দুর্ভাগের মধ্যে পড়বেন। যেখানে এমনিতেই এথনিক মাইনোরিটি কমিউনিটি অধিকহারে দারিদ্রতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন
রানীমেইড রিপোর্টে দাবী তুলে বলে, সরকারের উচিৎ বেনিফিট কাটের উদ্ভুত পরিস্থিতির তথা এ্ যে অধিকহারে যারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। তাদের রেসিয়াল ইকুয়ালিটি সংক্রান্ত বিষয়ে কোয়ালিটি এসেমেন্ট এবং অডিট সম্পন্ন করা।