বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:১১

যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনাকে যে বার্তা দিচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনাকে যে বার্তা দিচ্ছে

মুনতাসীর মামুন: আমেরিকা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সমর্থন করেনি। সে অধিকার তার আছে। কিন্তু, এটাতো ঠিক, নিক্সন ও কিসিঞ্জার গণহত্যা সমর্থন করেছিলেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ বাংলাদেশের গণহত্যার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল। সারা বিশ্বে এমন নজির খুব কম যে, যুক্তরাষ্ট্র কখনও সরকারীভাবে সাধারণ মানুষের পক্ষে ছিল বা গণহত্যার বিপক্ষে ছিল। ডেমোক্রেট বা রিপাবলিকান যারাই ক্ষমতায় ছিলেন এই মৌলনীতির ধারাবাহিকতা তারা রেখেছেন।

রাষ্ট্রের যিনি অধিকর্তা হন বা রাষ্ট্র চালান তারাও মানুষ। এবং যেহেতু তারাও মানুষ সেহেতু অনেক ক্ষেত্রে তাদের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ রাষ্ট্র নীতিতে প্রভাব ফেলে। নিক্সন ইন্দিরা গান্ধীকে পছন্দ করতেন না। তার ধারণা, একদা ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তিনি পাকিস্তান গেলে তাকে যেমন খাতির যত্ন করা হয়, ভারত তা করেনি। এই ধারণা মনে তিনি পুষে রেখেছিলেন এবং সে কারণে ইন্দিরা গান্ধীকে অপদস্থ করার চেষ্টা করেছেন, যেহেতু তিনি বাংলাদেশকে সমর্থন করেছিলেন। পাকিস্তানের প্রতি তাদের ভালবাসা প্রবল।

বঙ্গবন্ধু যখন ক্ষমতায় এলেন তখন তাঁকে অপদস্থ করার চেষ্টা করেছে মার্কিন সরকার। এমনকি বৈদেশিক মুদ্রায় কেনা চালের চালানও বাংলাদেশে পৌঁছতে দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭৪ সালে। বঙ্গবন্ধুর খুনীরা মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল তা উইকিলিক্স মারফত এখন জানা যাচ্ছে।

পরবর্তীকালে, যারা পাকিস্তানী মানসিকতায় যেমন সিক্ত জিয়া-এরশাদ-খালেদাকে সমর্থন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, শেখ হাসিনাকে নয়। বঙ্গবন্ধুর খুনীদের আশ্রয়দাতা হিসেবে খ্যাত যুক্তরাষ্ট্র আবার একই বার্তা দিল শেখ হাসিনাকে।

সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর খুনী রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন, সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া তথ্যটি জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে। বাংলাদেশ তাকে ফিরিয়ে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক আশ্রয় যেহেতু পেয়েছে সেহেতু তাকে ফেরত দেবে না বলেই জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের উর্ধতন মহল বঙ্গবন্ধু বা শেখ হাসিনাকে কখনই পছন্দ করেনি। লুঙ্গিপরা গরিব কিছু মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের জারজপুত্র পাকিস্তানীদের হারিয়ে দিয়েছিল এটা যুক্তরাষ্ট্র এখনও ভুলতে পারেনি। বড় দেশগুলোর এ ধরনের দম্ভ থাকে। সে সময় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে ধর্মনিরপেক্ষ ও সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন- এটিও যুক্তরাষ্ট্র মানতে পারেনি। কিসিঞ্জার সবচেয়ে অপছন্দ করতেন ইন্দিরা গান্ধী ও বঙ্গবন্ধুকে। কিসিঞ্জার ক্ষমতায় না থাকলেও তাদের একটি ‘ওল্ড বয়েজ নেটওয়ার্ক’ থাকে। এরা সব সময় প্রশাসনে যেই থাকুক তাকে প্রভাবান্বিত করার ক্ষমতা রাখে।

আমেরিকা মানবতাবিরোধীদের পছন্দ করে। বিশ্বের দু’একটি দেশ বাদে আমেরিকা কোন দেশে ভাল কিছু করেছে এরকম উদাহরণ খুব কম। মানবতাবিরোধী, স্যাডিস্টদের বেশি পছন্দ যুক্তরাষ্ট্রের। যে কারণে ১৯৭১-এর খুনীদের দল জামায়াতে ইসলামী হলো তাদের কাছে ‘মডারেট ডেমোক্র্যাটিক পার্টি।’ বঙ্গবন্ধুর খুনীদের দল বিএনপি হলো ‘ডেমোক্র্যাটিক পার্টি’, এই খুনীদের দল যতদিন ক্ষমতায় ততদিন সুখী ছিল আমেরিকা। ২০০৭ সালের পর থেকে তারা চেষ্টা করছে খালেদা বা নিজামীরা যেন ক্ষমতায় থাকেন। এই প্রচেষ্টা নস্যাতের পর তারা শেখ হাসিনাকে মেনে নেয়। কিন্তু কয়েকটি ইস্যুতে তারা ক্রুদ্ধ শেখ হাসিনার ওপর। ক্ষুদ্র ‘গরিব’ একটি দেশ আমেরিকার কথা শুনবে না এটা তারা মানতেই পারছে না।

প্রথম ইস্যু হলো ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক। যদিও আদালতের আদেশে তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের নির্বাহীর পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য হন, কিন্তু বার বার দোষ চাপানো হয়েছে শেখ হাসিনার ওপর। মার্কিন প্রশাসন ও হিলারি ক্লিনটন ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ জানিয়েছিলেন শেখ হাসিনাকে, ড. ইউনূসের পুনর্বার পদে নিয়োগের জন্য। শেখ হাসিনা রাজি হননি।

এরই প্রতিক্রিয়া পদ্মা সেতুর ঋণ প্রস্তাব বাতিল। বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর জন্য ঋণ মঞ্জুর করেছিল। সেতুর কাজ শুরু হওয়ার আগেই বিশ্বব্যাংক ঘোষণা করে এতে দুর্নীতি হয়েছে, সুতরাং ঋণ বাতিল। পদ্মা সেতু সাধারণ মানুষের একটি আকাক্সক্ষা। বিশ্বব্যাংকের ধারণা ছিল, সেতুর প্রকল্প বাতিল হলে মানুষ অসন্তুষ্ট হবে। এবং শেখ হাসিনাকে অপদস্থ করা যাবে।

এরপরও শেখ হাসিনা কাবু না হওয়ায় পোশাক শিল্পের জিএসপি বাতিল করা হয়। বাংলাদেশকে প্রচুর শর্ত দেয়া হয় জিএসপি ফেরত পাওয়ার জন্য। বাংলাদেশ সব শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও জিএসপি দেয়া যাবে না বলে মত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন।

তারপর ছিল নির্বাচন ইস্যু ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার। এ বিচার যুক্তরাষ্ট্রের না চাওয়াই স্বাভাবিক, কারণ ১৯৭১ সালে তারাও ছিল গণহত্যার অংশীদার। কিন্তু বিশ্ব জনমতের কথা ভেবে এ বিষয়ে তেমন উচ্চবাচ্য করেনি; কিন্তু মোড়লগিরি করার জন্য কিছুদিন পর পর একজন দূত পাঠিয়েছে বিচার পর্যবেক্ষণের জন্য। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনÑ বিএনপির এই দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সেই সময়কার কথা মনে করুন যখন যুক্তরাষ্ট্র ও পাশ্চাত্যের দেশগুলো এক জোট হয়ে বিএনপির পক্ষ নিয়ে কথা বলছিল। কিন্তু, নির্বাচন হয়ে যাওয়ায় তারা সাময়িকভাবে হটে যায়। এরপর দেশজুড়ে বিএনপি-জামায়াত যে তা-ব শুরু করে তাতেও পাশ্চাত্যের মৃদু সমর্থন ছিল। পরে, নিজ দেশে জনমত বিরূপ হয়ে যেতে পারে এই চিন্তায় মৃদুভাবে বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা করে।

বঙ্গবন্ধুর খুনীদের আশ্রয় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি নতুন কথা নয়। আশ্রয় পেতেই পারে। অনেক সময় আশ্রয়প্রার্থী সত্য গোপন করে আশ্রয় ভিক্ষা করে। কিন্তু সত্য তথ্য প্রকাশিত হলে মানবতাবিরোধী কোন অপরাধীকে তো যুক্তরাষ্ট্র আশ্রয় দিতে পারে না। কিন্তু, বিচারে দ-প্রাপ্ত আশরাফুজ্জামান আছেন যুক্তরাষ্ট্রে। খুব সম্ভব শেখ হাসিনা প্রীত হবেন ও যুক্তরাষ্ট্রের সব ডিকটাট মানবেন এই আশায় বঙ্গবন্ধুর এক খুনী মহিউদ্দিনকে ফেরত দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু, এবার রাশেদ চৌধুরীকে আশ্রয় দেয়া হলো। কেন?

বর্তমানে দু’টি ঘটনা প্রমাণ করে যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনাকে পছন্দ করে না এবং তিনি বিদায় নিলে যুক্তরাষ্ট্র খুশি হবে। একটি ঘটনা হলো জিএসপি ফেরত। বাংলাদেশ কেন এর জন্য এতদিন কাকুতি মিনতি করেছে তা আমার বোধগম্য নয়। জিএসপির অধীনে কত ভাগ কাপড় যেত? সামান্য। এখনও সবচেয়ে বেশি শুল্ক দিয়ে বাঙালী ব্যবসায়ীরা যুক্তরাষ্ট্রে বস্ত্র রফতানি করছে। আগেই উল্লেখ করেছি, যুক্তরাষ্ট্র অনেকগুলো শর্ত দিয়েছিল। বাংলাদেশ তা পূরণও করেছিল। কিন্তু, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, বাংলাদেশকে জিএসপি দেয়া যাবে না। এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশকে দেখে নেয়া। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদ এ পরিপ্রেক্ষিতে বলেছেন, বাংলাদেশ জিএসপি চাইবে না। আমরা মনে করি, এটি সঠিক সিদ্ধান্ত। এ সিদ্ধান্তে টিকে থাকলে আমাদের মর্যাদা বাড়বে বই কমবে না।

পদ্মা সেতুর ঋণ বাতিলের পরও বাংলাদেশ নিজের টাকায় এই সেতু করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে এবং কাজ শুরু করেছে এটি যুক্তরাষ্ট্রের আঁতে লেগেছে। নির্বাচনের সময় শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের কথা শোনেননি, এটিও মেনে নেয়া যাচ্ছে না। ড. ইউনূসকে খাতির করা হয়নি। কোন কিছুই শেখ হাসিনা মেনে নিচ্ছেন নাÑ এটি যুক্তরাষ্ট্র আর মেনে নিতে রাজি নয়। রাশেদ চৌধুরীকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়া সেই বার্তাই দিচ্ছে। যে আইনে মহিউদ্দিন আশ্রয় পাননি, সে একই আইনে রাশেদ চৌধুরীকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। এতে প্রমাণিত হয়, যুক্তরাষ্ট্রে আইন নিজস্ব গতিতে সব সময় চলে না, মাঝে মাঝে রাজনৈতিক সঞ্জিবনীতেও চলে। আমাদের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র এর মাধ্যমে এই বার্তাই দিচ্ছে শেখ হাসিনাকে, তার পরিণতি তার পিতার মতোই হতে পারে। সেই লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র হয়ত কাজ করে যাবে, হয়ত সেই কারণেই রাশেদ চৌধুরীকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে।

একই কা- করেছে কানাডা। তাদের আইনে আছে মৃত্যুদ- দেয়া যাবে না। আমাদের আইনে মৃত্যুদ- আছে। রাশেদ ও নূর চৌধুরীর বিচার হয়েছে যাকে বলে ‘ডিউ প্রসেস অব ল’ মেনে। বিচারে তারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। তাদের দ- দেয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা যে যুক্তিতে আশ্রয় দিয়েছে তা এক ধরনের নৈতিক স্খলন। এরা সাধারণ খুনী নয়। একটি দেশের জাতির জনক বা ‘ফাদার অব দ্য নেশনের’ খুনী, যার শিশুপুত্র ও পরিবারের অসহায় নারীদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এরপর চার জাতীয় নেতারও এরা হত্যাকারী। এদের তো সাধারণ হত্যাকারী হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।

পৃথিবীর যাবতীয় খুনী কানাডায় গেলে কি কানাডা রাজনৈতিক আশ্রয় দেবে? হামাস বা তালেবান বা আইএসের কাউকে আশ্রয় দেবে? দেবে না। বলবে টেররিস্ট। তা নূর চৌধুরী কি? কিছুদিন আগে এই কানাডাই কিন্তু কানাডীয় এক খুনী রোনাল্ড স্মিথকে যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তর করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অনেক রাজ্যে এখনও মৃত্যুদ- কার্যকর।

নূর চৌধুরী শরণার্থী স্ট্যাটাসের জন্য আবেদন করে ১৯৯৯ সালে। ২০০২, ২০০৪, ২০০৫ এবং ২০০৬ সালেও তার আবেদন নাকচ হয়। কিন্তু, তারপরও কানাডীয় সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে নূরকে ফেরত দেবে না।

মানবিকতার নামে তারা যা করছে তা মানবতাবিরোধী। তারা ঘাতকদের অধিকার দাবি করছে। কিন্তু ভিকটিমেরও যে অধিকার আছে তা তারা মানতে রাজি নয়। এর একটি কারণ হতে পারে, তারা সব সময় ঘাতকের কাজ করেছে, সেই মানসিকতা এখনও দূর হয়নি।

এ পরিপ্রেক্ষিতে অন্য দিকটি না ধরলে অন্যায় হবে। যুক্তরাষ্ট্র যখন গণহত্যাকে সমর্থন করেছে তখন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ বাঙালীদের সমর্থন করেছে। জোন বেজ বব ডিলান বা জর্জ হ্যারিসন কি বাংলাদেশকে নিয়ে গান গাননি? হোয়াইট হাউসের সামনে কি মার্কিনীরা বিক্ষোভ করেননি? এডওয়ার্ড কেনেডি কি সিনেটে দাঁড়িয়ে বাঙালীদের পক্ষে জোর গলায় কথা বলেননি? বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের অনেক নাগরিককে মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ও কানাডার নীতিনির্ধারকরা একটি বিষয়কেই গুরুত্ব দেয়, তা হলো জনমত। এ কারণেই হয়ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত একবার স্টেট ডিপার্টমেন্টকে জানিয়েছিলেন, ধরা যাক কেনেডির খুনী লী ওসওয়াল্ডকে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র তাকে ফেরত চাইছে। বাংলাদেশ দিচ্ছে না। তা হলে যুক্তরাষ্ট্র [বা এর নাগরিক]-এর কেমন লাগত?

বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ফিরিয়ে আনবার জন্য সরকার সরকারের মতো কাজ করুক। কিন্তু নাগরিক গ্রুপগুলো সমন্বিতভাবে একটি কাজ শুরু করতে পারে। তা’হলো বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ফেরত চেয়ে দুই দেশের সরকারকে একটি স্মারকলিপি প্রদান। সেখানে নেয়া হোক না কোটি খানেক স্বাক্ষর। তারপর সেই স্মারকলিপি পৌঁছে দেয়া হোক ঢাকাস্থ দুই দেশের দূতাবাসে। এটি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদে পরিণত হবে এবং দু’টি সরকারকেই সাধারণ মানুষের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে।

শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য ২১ বার চেষ্টা নেয়া হয়েছে। মার্কিনী বার্তায় ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে এ ধরনের প্রচেষ্টা আরও গ্রহণ করা হতেও পারে। শেখ হাসিনার জন্য আল্লার কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় নেই। বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ফেরত আনার জন্য তার সরকার যা করছে করুক। আমরা আমাদের এই সামান্য কাজটুকু করি না কেন? (সংগৃহীত)




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026