শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: টাওয়ার হ্যামলেটস বারার শিষা বারগুলো যাতে করে ধুমপান সংক্রান্ত বিধি বিধান যথাযথভাবে অনুস্মরণ করে চলে, তা নিশ্চিত করতে মেট্রোপলিটান পুলিশের সাথে মিলে কাজ করে যাচ্ছে লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল।
গত ১৯ আগষ্ট ওয়ালথাম ফরেস্ট ম্যাজিষ্ট্রেটস্ কোর্টে শুনানিতে দোষি সাব্যস্ত করে ফাহিম আহমদকে ২০০ পাউন্ড জরিমানা এবং মামলার খরচ বাবদ ৩২০ পাউন্ড প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যৌথ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গ্লোভ রোডে অবস্থিত সুভে শিশা লাউঞ্জ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে চারপাশ আবদ্ধ ঘরে ধুমপান করা বন্ধ করতে না পারার অভিযোগে দোষি সাব্যস্ত করা হচ্ছে মালিকদের।
২০০৬ সালের স্বাস্থ্য অধ্যাদেশ অনুযায়ি বারার সকল শিশা বার পরিচালিত হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে কাউন্সিলের বিজনেস এন্ড কনস্যূমার রেগুলেশনস্্ সার্ভিসের অংশ স্মোক ফ্রি টিম মেট্রোপলিটান পুলিশের সাথে মিলে কাজ করে যাচ্ছে।
ডেপুটি মেয়র এবং কেবিনেট মেম্বার ফর কমিউনিটি সেফটি, কাউন্সিলর শিরিয়া খাতুন বলেন, বারার সকল শিশা বারকে আইনগত বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে কাউন্সিল এবং পুলিশের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে। অবৈধ কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করার জন্য আমাদের কার্যকর পদ্ধতি রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ি আমরা যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ নিতে পিছপা হই না। তিনি বলেন, টাওয়ার হ্যামলেটসের সকল ব্যবসা বাণিজ্য যাতে আইনী বাধ্যবাধকতা মেনে চলেন, তা নিশ্চিত করতে পুলিশের সাথে মিলে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শিশা বারে ধুমপান স্বাস্থ্যের উপর মারত্মক প্রভাব ফেলে থাকে এবং জনগণের এ ব্যাপারে সচেতন থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পার্টনারশীপ টাস্ক ফোর্স (পিটিএফ) এবং কাউন্সিলের স্মোক ফ্রি টীম গত বছর যৌথভাবে শিশা বারটি পরিদর্শন করে। এ সময় অফিসাররা দেখতে পান যে কাস্টমাররা শিশা পাইপে ধুমপান করছে, যা পরে জব্দ করা হয়। পরে আরো তদন্ত করা হয় এবং বিষয়টি ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে পাঠানো হয়। যদি অবৈধ শিশা বার সম্পর্কে রিপোর্ট করতে চান, কিংবা এ ব্যাপারে আরো তথ্যাদি পেতে আগ্রহী, তাহলে ০২০ ৭৩৬৪ ৫০০৮ নাম্বারে ফোন করতে অনুরোধ করা হয়েছে।