শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৮

সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেল বঙ্গ বাহাদুর

সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেল বঙ্গ বাহাদুর

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: বানের জলে ভেসে আসা হাতি বঙ্গ বাহাদুরকে নিয়ে আর কাউকে ভাবতে হবে না। জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আজ মঙ্গলবার মারা গেছে হাতিটি। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে হাতিটি নিথর হয়ে যায়। সোমবার থেকেই এটি অসুস্থ ছিল।

ঙ্গ বাহাদুর এর মৃত্যুতে এলাকাবাসীর অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়ে। ঢাকার বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসীম মল্লিক হাতিটি মারা যাওয়ার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

কক্সবাজারের ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি সার্জন মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গতকাল তাপমাত্রা বেশি থাকায় বঙ্গ বাহাদুর অসুস্থ হয়ে কাদাপানিতে পড়ে যায়। সন্ধ্যা পর্যন্ত হাতিটির শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে ১২টি স্যালাইন দেওয়া হয়। হাতিটিকে সুস্থ করে তুলতে সব ধরনের চিকিৎসা ও সেবা দেওয়া হয়েছিল।

কামরাবাদ ইউনিয়নের কয়ড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মুকুল মিয়া বলেন, ‘এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সেবা দিয়েও বঙ্গ বাহাদুরকে বাঁচাতে পারলাম না। আমাদের কাঁদিয়ে সে অজানার পথে পাড়ি দিয়েছে।

কয়রা গ্রামের বাসিন্দা হাজী বরকতুল্লাহ (৬০) বলেন, বানের পানিতে আমার দুই বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। তাতে আমার কষ্ট নেই। কিন্তু হাতিটি মরে যাওয়ায় কষ্ট পেয়েছি।

খোদেজা বেগম (৫০) বলেন, গ্রামবাসীর অনেকেই কেঁদেছে। পাঁচ দিন ধরে লোকজনের জ্বালা-যন্ত্রণা সহ্য করেছি। কিন্তু হাতি মরে যাওয়ার কান্না চেপে রাখছে পারছি না।

শুভা বেগম (৩৫) বলেন, হাতিটি কারও কোনো ক্ষতি করেনি। আজ আমাদের কাঁদিয়ে চলে গেল।

কামরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মুনসুর আলী খান বলেন, ১৯ দিন ধরে হাতিটি আমার ইউনিয়নে অবস্থান করছিল। সব ধরনের সহযোগিতা করেছি। মারা যাওয়ায় কষ্ট পেয়েছি।

হাতিটিকে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্কে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তাকে উদ্ধারের জন্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই থেকে দুটি বড় হাতি আনার কথা ছিল। আজ সকালেই হাতিগুলোর সরিষাবাড়ী পৌঁছানোর কথা। তার আগেই চলে গেল বঙ্গ বাহাদুর।

গতকাল পায়ে শিকল পরাতে গেলে বঙ্গ বাহাদুর এর লাথিতে গাজীপুরের সাফারি পার্কের হাতির রক্ষণাবেক্ষণে নিয়োজিত এক কর্মী গুরুতর আহত হন। তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

গত বৃহস্পতিবার হাতিটিকে প্রথমবার চেতনানাশক ওষুধ দেওয়া হয়। এরপর চার পায়ে শিকল ও রশি দিয়ে কয়ড়া গ্রামের একটি আমগাছে বেঁধে রাখা হয়। গত শনিবার শিকল ছিঁড়ে হাতিটি পালানোর চেষ্টা করে। গত রোববার দ্বিতীয় দফায় চেতনানাশক দিয়ে চার পায়ে শিকল পরানো হয়। কয়ড়া গ্রামের খোলা মাঠে কাদাপানিতে বেঁধে রাখা হয়। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাতিটি অসুস্থ হয়ে শিকল পরা অবস্থায় কাদাপানিতে হঠাৎ পড়ে যায়।

হাতিটি গত ২৮ জুন ভারতের আসাম রাজ্য থেকে বানের পানিতে ভেসে এ দেশে আসে। জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় আসে গত ২৭ জুলাই।

কক্সবাজারের ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি সার্জন মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গতকাল তাপমাত্রা বেশি থাকায় বঙ্গ বাহাদুর অসুস্থ হয়ে কাদাপানিতে পড়ে যায়। সন্ধ্যা পর্যন্ত হাতিটির শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে ১২টি স্যালাইন দেওয়া হয়। হাতিটিকে সুস্থ করে তুলতে সব ধরনের চিকিৎসা ও সেবা দেওয়া হয়েছিল।

কামরাবাদ ইউনিয়নের কয়ড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মুকুল মিয়া বলেন, এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সেবা দিয়েও বঙ্গ বাহাদুরকে বাঁচাতে পারলাম না। আমাদের কাঁদিয়ে সে অজানার পথে পাড়ি দিয়েছে।

কয়রা গ্রামের বাসিন্দা হাজী বরকতুল্লাহ (৬০) বলেন, বানের পানিতে আমার দুই বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। তাতে আমার কষ্ট নেই। কিন্তু হাতিটি মরে যাওয়ায় কষ্ট পেয়েছি।

খোদেজা বেগম (৫০) বলেন, গ্রামবাসীর অনেকেই কেঁদেছে। পাঁচ দিন ধরে লোকজনের জ্বালা-যন্ত্রণা সহ্য করেছি। কিন্তু হাতি মরে যাওয়ার কান্না চেপে রাখছে পারছি না।

শুভা বেগম (৩৫) বলেন, হাতিটি কারও কোনো ক্ষতি করেনি। আজ আমাদের কাঁদিয়ে চলে গেল।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026