রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪

হযরত ওমর (রাঃ) এর জীবনী

হযরত ওমর (রাঃ) এর জীবনী

আজ শুক্রবার। পবিত্র জুমাবার। আজকের বিষয় ‘হযরত ওমর (রাঃ) এর জীবনী’। শীর্ষবিন্দু পাঠকদের জন্য এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ‘ইসলাম বিভাগ প্রধান’ ইমাম মাওলানা নুরুর রহমান।

উমর ইবনুল খাত্তাব (আরবি, عمر بن الخطاب) (৫৮০ – নভেম্বর ৩, ৬৪৪) যিনি সচরাচর হযরত ওমর নামে অভিহিত, ইসলাম ধর্মের মহানবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ঘনিষ্ঠ সাহাবী। তিনি ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

কুরাইশ গোত্রের বনু আদি সম্প্রদায়ে তাঁর জন্ম। তিনি ওমর আল ফারুক নামেও পরিচিত। ‘ফারুক’ অর্থ সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী। তিনি খুলাফায়ে রাশেদীন এর দ্বিতীয় খলিফা হলেও শিয়া সম্প্রদায় তাঁকে ইসলামের খলিফা হিসেবে প্রাপ্য মর্যাদা প্রদান করে না।

প্রাথমিক জীবন
ওমর বর্তমান সৌদী আরবের মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম খাত্তাব ইবনে নুফাইল। তাদের পরিবার মূলত মধ্যবর্তী ধরনের ছিল। তিনি শিক্ষিত ছিলেন যা তখনকার আরব সমাজে অনেকটাই ব্যতিক্রম ছিল এবং শিক্ষিতদের অন্যরকম সম্মান ছিল।

সুস্বাস্থ্য, শক্তিশালী, সাহসী এবং বিশেষ করে রাগী পুরুষ হিসেবেও তিনি সুপরিচিত ছিলেন। যৌবনকালে একজন প্রথম শ্রেণীর কুস্তীগীর হিসেবে প্রখ্যাত ছিলেন। তথনকার আমলে মদ পান আরবে খুবই সাধারণ বিষয় ছিল এবং অনেকের বর্ণনামতে ওমর ইসলাম গ্রহণের পূর্বে মদ পান করতেন। কিন্তু ইসলাম গ্রহণের পর তিনি কখনও মদ্য স্পর্শ করেননি।

মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সময়কাল এ প্রাথমিক ইসলাম শত্রুতা
মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন প্রথম ইসলামের বাণী প্রচার করেন তখন উমর তাঁর তীব্র বিরোধিতা করেন এবং কুরাইশদের প্রথাগত ধর্ম রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ইসলাম বিরোধী হিসেবে তিনি সুপরিচিত ছিলেন।

আরবের প্রথাগত বহুঈশ্বরবাদী ধর্ম রক্ষার খাতিরে ইসলাম গ্রহণকারী আরব এবং মুহাম্মদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বিরোধিতায় অনড় এবং নিষ্ঠুর ভুমিকা নিয়েছিলেন। উমর এর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল এই নূতন ধর্ম ইসলাম কুইরাইসদের মাঝে বিবাদ এবং বিভাদ সৃষ্টি করবে।

কুরাইশদের নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুসারিদের বললেন আবিসিনিয়া য় হিজরত করতে। ছোট একটা দলের এই আবিসিনিয়ার হিজরতের ঘটনা ওমরকে কুরাইশ বংশের ভবিষ্যৎ একতা সম্পর্কে ভীতি এবং দুশ্চিন্তায় ফেলে দিল। যার ফলশ্রুতিতে উমর মুহাম্মদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে হত্যার পরিকল্পনা করলেন।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
ইবনে ইসহাকের সীরাত গ্রন্থ অনুসারে ওমর “মুহাম্মদকে” (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন এবং একদিন সে উদ্দেশ্যেই মুক্ত তরবারী হাতে ঘর থেকে বের হন। পথিমধ্যে তিনি একজনের সাক্ষাৎ লাভ করেন যিনি ইতোমধ্যে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন।

সেই ব্যক্তি তাঁকে নবীকে হত্যার পূর্বে প্রথমে নিজের ঘর সামলানোর জন্য বলেন। তাঁর কাছে ওমর জানতে পারেন তাঁর বোন ফাতিমা এবং ভগ্নীপতি ইসলাম গ্রহণ করেছে। অগত্যা তিনি বোনের বাড়িতে যান এবং বোন ও ভগ্নীপতিকে কুরআন এর আয়াত আবৃতিরত অবস্থায় আবিষ্কার করেন।

ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ভগ্নীপতিকে মারধর করেন; ফাতিমা তাঁর স্বামীকে রক্ষা করতে এলে তাকেও আঘাতের শিকার হতে হয়। প্রচণ্ডভাবে আহত হওয়া সত্ত্বেও তাঁরা কেউই ইসলাম ত্যাগ করতে সম্মত হন নি। বোনের শরীরে রক্ত দেখে তিনি শান্ত হন এবং তাঁরা যা পাঠ করছিলো তা দেখতে চান। পবিত্র হয়ে কুরআনের একটি আয়াত তিনি পাঠ করেন। আয়াতটি ছিল সূরা ত্বা-হা’র অংশ।

সেই আয়াতটি তাঁকে এতই অভিভূত করে যে তিনি সেদিনই মুহাম্মদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে যেয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ইসলাম গ্রহণের পর ইসলাম প্রসারে তিনি ততটাই ভূমিকা রেখেছিলেন, গ্রহণের পূর্বে ইসলামের বিরুদ্ধে যতটা ভূমিকা রাখতেন।

খিলাফত লাভের পূর্বে খেদমত
হিজরতের চারি বৎসর পূর্বে যখন তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন তখন তাহার বয়স ছিল ছাব্বিশ বৎসর। তাহার পর হইতে তিনি পূর্ন শক্তিতে ইসলামের খিদমতে ঝাপাইয়া পড়েন। তাহার গোত্র বানু আদি ইবন্‌ কা’ব হইতে এই ব্যাপারে তিনি কোন সাহায্য পান নাই।

মদিনায় তাহার ব্যক্তিগত উদ্যম এবং মনোবলের প্রভাবেই তিনি রাসূল (সঃ) এর প্রতিষ্ঠিত ইসলামী সমাজে মর্যাদা লাভ করেন, গোত্রীয় মর্যাদারকারণে নয়। সৈনিক হিসাবেও তাহার প্রভূত খ্যাতি ছিল। তিনি বদর, উহুদ ও অন্যান্য যুদ্ধে যোগদান করেন । হাদিছে আছে যে, কুরআনের কয়েকটি স্থানে উমার (রাঃ) এর উক্তি সমর্থনে অয়ায়হি অবতীর্ন হইয়াছিল।

যথাঃ ২:১২৫- কাবা গৃহের পার্শস্থ মাকাম ইব্রাহীমে সালাত আদায়; ৩৩:৫৩, রাসূল (সঃ) বিবিগণের সামনে পর্দা পালন ইত্যাদি। সাহাবীগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বে হজরত আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) হযরত উমার (রাঃ) এর অগ্রগণ্য ছিলেন। হযরত উমার (রাঃ) বিনয় সহকারে তাহা স্বীকার করিতেন এবং সর্বদা হযরত আবু বকর (রাঃ) কে যথোপযুক্ত সম্মান দেখাইতেন।

তাহাদের কন্যাগণ রাসূল (সাঃ) এর পবিত্র বিবি তথা উম্মতের জননী হইবার সৌভাগ্য অর্জন করিয়াছিলেন। রাসূল কারীম (সঃ) এর বিবি হযতর হাফসা (রঃ) হযতর ওমর (রাঃ) এর কন্যা ছিলেন । রাসূল কারীম (সঃ) এর ওফাতের পর হযরত উমার (রাঃ) ই সর্বপ্রথম হযরত আবু বকর (রাঃ) এর নিকট বায়াত হন।

খেলাফত লাভ ও শাসনকার্য
হযরত আবু বকর (রাঃ) এর খিলাফাতকালে হযরত ওমর (রাঃ) ই ছিলেন তাহার প্রধান উপদেষ্টা । মৃত্যুর পূর্বে তিনি উমার (রাঃ) কেই তাঁহার স্থলাভিষিক্ত মনোনীত করেন, সাহাবীগণও সর্ব-সম্মতভাবে ওমর (রাঃ) কে তাহাদের খলীফারুপে গ্রহণ করেন এবং এইরূপে নেতা নির্বাচনের আরবীয় প্রথানুসারে জনগণের সমর্থনের ভিত্তিতেই ওমর (রাঃ) তাঁহার খিলাফাত শুরু করেন।

ঘরে বাহিরে ওমর (রাঃ) যে পরিস্থিতির সম্মুখীন হইলেন পূর্ব হইতেই তিনি ইহার সহিত ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত ছিলেন । মুসলিম রাষ্ট্রের পরিধি বৃদ্ধি করিবার জন্য যুদ্ধ করা তাঁহার অভিপ্রেত ছিল না । নৌ-যুদ্ধ তাঁহার দৃষ্টিতে অধিকতর অবাঞ্ছিত, কিন্তু মুসলিম শক্তিকে অঙ্কুরে বিনষ্ট করিবার জন্য বদ্ধপরিকর বিরুদ্ধ শক্তিগুলির সহিত মুকাবিলায় তিনিই ছিলেন অধিনায়ক। যে সকল সেনাপতি মুসলিমদের প্রয়াসকে সাফল্যমণ্ডিত করিয়াছিলেন তিনি ছিলেন তাহাদের সকলের নিয়ন্তা।

এইক্ষেত্রে তাঁহার কৃতিত্ব সর্বজনবিদিত । ইসলামের স্বার্থে খালিদ (রাঃ) এর ন্যায় একজন সুদক্ষ সেনাপতিকেও তিনি পদচ্যুত করিয়াছিলেন এবং খালিদ (রাঃ)ও এই পদচ্যুতি অবনত মস্তকে মানিয়া লইয়াছিলেন। ইহা তাঁহার বলিষ্ঠ কৃতিত্বেরই পরিচায়ক। এই ঘটনা হইতে রাসুল (সঃ) এর সাহাবী (রাঃ) গনের চরিত্র বৈশিষ্ট্যেরও পরিচয় মিলে।

‘আম্‌র ইবনুল আস (রাঃ) এর মিসর বিজয়ের প্রস্তাবে সম্মতি দান করিয়া তিনি খুবই দূর-দৃষ্টির পরিচয় দেন। তিনি রাসূল কারীম (সাঃ) এর বিশিষ্ট সাহাবীদিগকে সম্ভ্রমবশত সাধারণ সরকারী চাকুরীতে নিয়োগ করিতেন না। কিন্তু প্রয়োজন হইলে গুরুত্বপূর্ন পদে তাহাদিগকে নিয়োগ করিতে দ্বিধাবোধ করিতেন না। এইরূপে ইরাক ও সিরিয়ার শাসনকর্তা হিসাবে তিনি কয়েকজনকে নিযুক্ত করেন।

হযরত ওমর (রাঃ) এর সময়েই ইসলামী রাষ্ট্রের বাস্তব ভিত্তি স্থাপিত হয়। এই সময়েই অনেকগুলি ইসলামী বিধি-ব্যবস্থা বাস্তব রূপ লাভ করে বলিয়া কথিত হয়। এইগুলির পূর্ন রুপায়ন ঐতিহাসিক বিকাশ ধারা অনুসারে ক্রমে ক্রমে সাধিত হইলেও ইহাদের সূচনা হযরত ওমর (রঃ) এর সময়েই হইয়াছিল। যখনই কোন প্রশ্ন বা সমস্যার উদ্ভব হইত, তিনি সাহাবী (রাঃ) গনকে একত্র করিয়া জিজ্ঞাসা করিতেন সেই ব্যাপারে হযরত (সঃ) এর কোন উক্তি বা সিদ্ধান্ত আছে কিনা তাহাদের সহিত আলোচনার ভিত্তিতে তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতেন।

কুরআন ও সুন্নাহ্‌ই ছিল তাঁহার সংবিধান এবং বিশিষ্ট সাহাবী [যথা আলী, আব্দুর রাহমান ইবন আওফ (রাঃ) প্রমুখ] গণ ছিলেন তাঁহার পরামর্শ সভার সদস্য। দীনতম নাগরিকও তাঁহার কর্মের সমালোচনা করিতে শুধু সাহসীই নহে বরং উৎসাহিতও হইতেন- ইহার বহু নজির পাওয়া যায়। তাঁহার জীবন যাপনের মান সাধারণ নাগরিকের অনুরূপ ছিল । এই বিষয়ে হযরত ওমর (রাঃ) এর দৃষ্টান্ত সত্যই বিরল।

জিম্মি (মুসলিম রাষ্ট্রের অমুসলিম নাগরিক) গণের অধিকার সংরক্ষণ, সরকারি আয় জনগণের মধ্যে বণ্টনের জন্য দীওয়ান ব্যবস্থার প্রবর্তন, সামরিক কেন্দ্র (যথাঃ বসরা, কুফা)- সমূহ প্রতিষ্ঠা (এই সকল কেন্দ্র হইতেই উত্তরকালে কয়েকটি বৃহৎ নগরীর সৃষ্টি হয়)। এতদ্বব্যতিত ধর্মীয়, পৌর এবং দণ্ডবিধি সঙ্ক্রান্ত বিশেষ বিধিও তিনি প্রবর্তন করেন। যথাঃ তারাবীহের সালাত জামা’আতে সম্পন্ন করা, হিজরি সনের প্রবর্তন, মদ্যপানের শাস্তি ইত্যাদি।

আবু বকর (রাঃ) খলীফা (খালীফাতু রাসুলুল্লাহ বা রাসুলের প্রতিনিধি) বলিয়া অভিহিত হইতেন। তদনুসারে উমার (রাঃ) ছিলেন রাসূলের খলীফার খলীফা। হযরত (সঃ) নেতা অর্থে সাধারনত আমীর শব্দের ব্যবহার করিতেন এবং আরবদের মধ্যে এই শব্দের ব্যবহার প্রচলিত ছিল। ১৯ হিজরিতে তিনি এই উপাধি গ্রহণ করেন।

সম্ভবত তিনি নিজকে রাসূল (সঃ) এর খলীফা বা স্থলাভিষিক্ত বলা বা মনে করাকে ধৃষ্টতারুপ গণ্য করিতেন। হাদিছে বিবৃত হইয়াছে যে, রাসূল (সঃ) বলিয়াছেন, “আমার পর কেহ নবী হইলে উমার নবী হইত।” (দ্রঃ আল মুহিব্বুত-তাবারী, মানাকিবুল আশারাঃ ১খ, ১৯৯)

খলিফা হিসেবে হযরত ওমর
ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হিসেবে হযরত ওমর ছিলেন অত্যন্ত বিচক্ষণ। তার শাসন আমলে যাবতীয় বিশৃঙ্খলা তিনি কঠোর হস্তে দমন করেন। ইতিহাস ঘেঁটে দেখা দেয় যে, মদ্য পানের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হ‌ওযায় তিনি তার নিজ সন্তানকে‌ ১০০ বেত্রাঘাত করেন। একজন শাসকদের অসাধারণ চরিত্র ফুটে উঠে এর মাধ্যমে।

খলিফা হয়রতের এমন অসাধারণ কঠোরতা তার শাসনামলে সকলের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। পূর্ববর্তী খলিফার তুলনামূলক নমনীয় আচরণের ফলে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা তিনি খুবই সূচারু রূপে সমাধান করেন। তার সময়ে নানা বিদ্রোহ তিনি কঠোর হাতে দমন করেন।

হয়রত ওমরের মৃত্যু
হযরত ওমর এর খিলাফতকাল ছিল সর্বমোট ১০ বছর ৬ মাস। হযরত ওমর ফারুক (রা:) হিজরী ২৩ সালে ২৪ যিলহজ্জ্ব তারিখে বুধবার মসজিদে নববীতে ফজরের নামাযে ইমামতি করার জন্য দাড়ালে হযরত মুগিরা ইবনে শোবা (রা:) এর একজন দাস আবু লুলু বিষাক্ত তরবারী দ্বারা হযরত ওমর ফারুক (রা:) কে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে পরেন। পরবর্তীতে আহত অবস্থায় তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ২৭ যিলহজ্জ্ব তিনি শাহাদাত বরণ করেন। হযরত ওমর (রা:) কে মসজিদে নববীতে হযরত সিদ্দিকে আকবর (রা:) এর কবরের বামপাশে দাফন সম্পন সম্পন্ন করা হয়।

শেষ কথা
ইসলামের ইতিহাসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি নাম খলিফা হযরত ওমর (রা:)। পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত যার নাম প্রতিটি ঈমানদার মোমিনের অন্তরের আকাশে দীপ্তিমান নক্ষত্রের মতন দীপ্তিমান থাকবে। আর তাইতো, খলিফা হযরত ওমর আমাদের অনুপ্রেরণা, আমাদের আদর্শ।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026