রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মেয়র বিগসের কেবিনেট থেকে পদত্যাগ করতে আমাকে বাধ্য করা হয়েছে: কাউন্সিলার শিরিয়া

মেয়র বিগসের কেবিনেট থেকে পদত্যাগ করতে আমাকে বাধ্য করা হয়েছে: কাউন্সিলার শিরিয়া

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নির্বাহী মেয়র জন বিগসের কেবিনেট এর সদ্য পরিবর্তনের সাথে সাথে দেখা দিয়েছে বিশৃংখলা। অন্যায় করা হয়েছে বলে সরাসরি অভিযোগ করলেন একই কেবিনেট মেম্বার সদ্য সাবেক ডেপুটি মেয়র কাউন্সিলার শিরিয়া খাতুন।

বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত কাউন্সিলার শিরিয়া খাতুন গত ১২ বছর যাবত টাওয়ার হ্যামলেট কাউন্সিলের লেবার পার্টির হয়ে কাউন্সিলারের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। নির্বাহী মেয়র জন বিগসের কেবিনেট ও ডেপুটি মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন বিগত বছর।

কিন্তু হঠাৎ করেই গত ১৭ মে কাউন্সিলের এজিএম এর পূর্বে ডেপুটি মেয়র ও কেবিনেট থেকে পদত্যাগ করেন দীর্ঘদিনের কাউন্সিলার শিরিয়া খাতুন। কিন্তু কেন তার এই সিদ্ধান্ত। এর জবাবে এটিএন বাংলা ইউকে সাথে একান্ত আলাপ কালে জানালেন এর প্রকৃত কারন।

গত ১৭ মে বুধবার রাতে কাউন্সিলের এজিএমে নির্বাহী মেয়র জন বিগস তার নতুন কেবিনেট ঘোষণা করেন। এতে বেশ কয়েক পদে তিনি পরিবর্তন আনেন।

কেবিনেটে নতুন করে যোগ দিয়েছেন কাউন্সিলার আব্দুল মুকিত চুনু এমবিই এবং কাউন্সিলার আমিনা আলী। এর ফলে কেবিনেটের ১০ সদস্যের মধ্যে বাংলাদেশীদের সংখ্যা ৫ থেকে কমে ৩ এ দাড়িঁয়েছে।

কাউন্সিলার শিরিয়া বলেন, কেবিনেট থেকে বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করতে হয়েছে। পদত্যাগ করতে চাইনি। কিন্তু এমন একটি পরিবেশ তৈরী করা হয়েছিল যার কারনে পদত্যাগ ছাড়া বিকল্প ছিলনা।

আমি মনে করি আমাকে বুলিং করা হয়েছে। আমাকে কমিউনিটি সেইফটি বিষয়ক কেবিনেট থেকে সরিয়ে এনভায়রনমেন্ট বিষয়ক কেবিনেট মেম্বারের দায়িত্ব দিতে চেয়েছিল। আমি নেইনি। আমি মনে করি আমাকে ডিমোশন দেয়া হচ্ছিল। তাই বাধ্য হয়েই পদত্যাগ করতে হয়েছে।

শিরিয়া অভিযোগ করে বলেন, মেয়র হঠাৎ বললেন তোমাকে কমিউনিটি সেইফটি থেকে সরিয়ে এনভায়রনমেন্টে দেয়া হচ্ছে। তুমি থাকলে থাক, অন্যতায় বের হয়ে যাও। এভাবে আমাকে অপমান করা হয়েছে।

সর্বশেষ আমার কাছ থেকে কমিউনিটি কহিশন একটি পদ ছিল তাও কেড়ে নেয়া হয়েছে। এটি সত্যিই অপমানজনক। এটি শুধু আমাকে অপমান করা হয়নি। আমি মনে করি সমস্থ কমিউনিটিকে অপমান করা হয়েছে। মেয়র জন বিগসের স্বৈরাচারি মনোভাব জনগনের জানা উচিত।

তিনি বলেন, জন বিগস ৩০ বছর আগে কাউন্সিলার ছিলেন। এখনকার কাউন্সিলার সেই আগের মত নয়। এখনকার পরিবেশ পরিস্থিতি ভিন্ন। মেয়র ৩০ বছর আগের আচরন করছেন। এখন তিনি আগের মত আচরন করে যেতে পারবেন না। এ জন্যই আমি প্রতিবাদ করেছি। সমগ্র বারার মানুষের স্বার্থে তার আচরনের প্রতিবাদ করব। আমি অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। এখন হঠাৎ আমাকে সরিয়ে দেয়ায় কমিউনিটির ক্ষতি হতে পারে।

এদিকে কেন শিরিয়া খাতুনকে কেবিনেট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে এ প্রসঙ্গে মেয়র জনবিগস বলেন, শিরিয়া নিজ থেকেই কেবিনেটে থাকার অপারগতা প্রকাশ করেছে। তাই তাকে বাদ দিতে বাধ্য হয়েছি। সে যতদিন ছিল কেবিনেটে খুব ভাল সার্ভিস দিয়েছে




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026