শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: উদাহরণ হিসেবে নিজের পরিবারের কথা প্রসঙ্গক্রমে টেনে আনেন লন্ডন মেয়র সাদিক খান। যদিও এটা নতুন কিছু নয় তবে এবার জানালেন নিজের দুই মেয়েকে একা মিনিক্যাব ব্যবহার করতে দেন না তিনি ও তার স্ত্রী সাদিয়া খান।
ল
ন্ডনে মিনি ক্যাবে যৌন হয়রানীর প্রসঙ্গে এলবিসি রেডিওর সাথে একান্ত আলাপকালে লন্ডন মেয়র বলেন, তাদের দুই মেয়ের জন্যে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী রীতিমতা ক্যাব ড্রাইভারের ভুমিকা পালন করেন। তাদের স্বজনরাও সেটা ভালে করে জানেন। দুই মেয়েকে যে কোন জায়গায় নামিয়ে দেওয়া, তুলে নিয়ে আসা সবই তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে করেন।
এলবিসি রেডিওর জেইমস ও’ ব্রায়ানের তাৎক্ষণিক এক প্রশ্নে লন্ডন মেয়র বলেন, তিনি ইচ্ছে করেই এখানে তাঁর পরিবারের প্রসঙ্গ আনতে চাননি। তাঁর দুই কিশোরী মেয়ে এই প্রসঙ্গের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। কিন্তু তাদের উবার অ্যাপ নেই এ বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্যেই এখানে তাদের কথা এসেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
লন্ডনে চলতি মাসের শেষে উবারকে তার কোম্পানি লাইসেন্স রিনিউ করতে হবে। লন্ডন মেয়র সাদিক এলবিসিতে জেইমস ও’ ব্রায়ানকে বলেছেন, তিনি আশা করেন লাইসেন্স রিনিউর আগে উবারের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ বিবেচনা করবে ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন।
উল্লেখ্য, গত ১২ মাসে লন্ডনে উবার ড্রাইভার জড়িত প্রায় ৩২টি ধর্ষণ ও যৌন হয়রানীর রিপোর্ট মেট পুলিশে কাছে এসেছে বলে জানা গেছে। সান নিউজ পেপারের অনুরোধে ফ্রিডম অব ইনফরমেশন থেকে এই তথ্য আসে। চলতি বছরের প্রথম দিকে লন্ডনে প্রতি ১১ দিনের ভেতরে ১ জন উবার ড্রাইভারের বিরুদ্ধে মহিলা যাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগ আসে। চলতি মাসেও যৌন হয়রানীসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অপরাধের ব্যাপারে রিপোর্ট করতে উবার ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ।
মেট পুলিশের টেক্সী এন্ড প্রাইভেট হায়ার ইউনিটের প্রধান নেইল বিলানি বলেছেন, অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, কোনটা অপরাধ হিসেবে রিপোর্ট করতে হবে সেটি আসলে উবার নির্ধারণ করতে পারছে না। যদিও উবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইন্সপেক্টর নেইলের এই মন্তব্যের ফলে পুলিশের সঙ্গে উবারের ভালো কাজের যে সম্পর্ক রয়েছে তাতে কোন ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।