শীর্ষবিন্দু আর্ন্তজাতিক নিউজ: ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষ উস্কে দেয়ার অভিযোগ এনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। -ডন/রয়টার্স
এক টুইট বার্তায় বলেন, একজন নেতার কাজ জাতিকে একাত্ম করা, যা ম্যান্ডেলা করে গিয়েছেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ সন্ত্রাসবাদের (হোক সে মুসলিম, শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী বা নাৎসী মতাদর্শী) বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার বদলে মুসলিমদের হয়রানি করছেন।
এরপরই ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গকে পাঠানো চিঠিতে ইমরান খান বলেছেন, ক্রমবর্ধমান ইসলামবিদ্বেষ বিশ্বজুড়ে চরমপন্থা ও সহিংসতার সৃষ্টি করছে, বিশেষ করে ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এগুলো বৃহত্তরভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেসবুকের কাছে পাঠানো চিঠি টুইটারে পোস্ট করেন ইমরান খান। চিঠিতে জাকারবার্গকে তিনি বলেন, হলোকাস্ট ইস্যুতে যেভাবে ফেসবুক ব্যবস্থা নিয়েছে ঠিক সেভাবেই ইসলামবিদ্বেষ ও মুসলিদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো বন্ধ করতে আমি আপনার কাছে আহ্বান জানাচ্ছি।
পাকিস্তানের পরিকল্পনা মন্ত্রী আসাদ ওমর বলেন, বাক-স্বাধীনতারও বাধ রয়েছে। ১৬টি ইউরোপিয় দেশ হলোকাস্ট হত্যাকাণ্ড অস্বীকার করাকে অপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। ব্রিটেনে রাজা/রানি এমনকি রাজপরিবারের অবমাননা করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বাক স্বাধীনতার নামে নবী মুহম্মদ (সা.) এর অপমান করতে দেয়া ধর্মীয় বিশ্বাসের অপমান ও নিন্দনীয়।
এদিকে ইমরান খানের আহ্বানের প্রেক্ষিতে ফেসবুকের মুখপাত্র বলেন, আমরা সব ধরণের ঘৃণাত্মক কার্যক্রমের বিরোধী। কোনো জাতি, ধর্ম বা বর্ণের বিরুদ্ধে আক্রমণ আমরা হতে দেবো না। যখনই কোনো বিষয় সম্পর্কে ঘৃণাত্মক মন্তব্যের অভিযোগ আসবে আমরা সেটি সরিয়ে নেবো।
প্রসঙ্গত, গত মাসে ফেসবুক হলোকাস্ট বিরোধী বা এটিকে অস্বীকার করাকে ঘৃণাত্মক কার্যক্রম আখ্যা দিয়ে এগুলো বন্ধে নীতিমালা গ্রহণ করেছে।