একটি মহল বিশ্বনাথ উপজেলার উত্তর বিশ্বনাথ আমজদ উল্লা কলেজকে ধ্বংস করার অপতৎপরতা শুরু করেছে বলে অভিযোড় উঠেছে। ওই মহল মিথ্যা প্রচারণার মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করে নিজেদের ফায়দা হাসিলের জন্য গভর্নিং কমিটির নামে একটি পকেট কমিটি করে কলেজের উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সাথে তারা কলেজ নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা প্রেসকাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কলেজের গভর্নিং বডি ও এলাকাবাসীর একত্রে এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কলেজের গভর্নিং বডি ও এলাকাবাসীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলমগীর। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, প্রয়াত আমজদ উল্লার পরিবার ১৯৯৪ সালে তিনটি দলিলের মাধ্যমে ১ একর ৬২ শতক ভূমি আমজদ উল্লা কলেজের নামে দান করেন। পাশাপাশি দুটি টিন সেডের পাকা ভবন নির্মাণ করে দেন। তখন থেকে কলেজটি আমজদ উল্লা কলেজ নামেই প্রতিষ্ঠিত।
রাজনৈতিক কারণে ১৯৯৭ সালে আমজদ উল্লা কলেজের নাম পরিবর্তন করে উত্তর বিশ্বনাথ কলেজ করা হয়। আকষ্মিকভাবে কলেজের নাম পরিবর্তন করায় দাতা এবং শিানুরাগী বিত্তবানরা পৃষ্টপোশকতা বন্ধ করে দিলে মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়ে। কলেজের এমন দৈন্যদশা দেখে এগিয়ে আসেন স্থানীয় সাংসদ শফিকুর রহমান চৌধুরী। তিনি নিজে দাতা সদস্য ও গভর্নিং বডির সদস্যদের নিয়ে কলেজের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেন। তার এ উন্নয়ন কর্মকান্ড দেখে উপজেলার দোহাল গ্রামের পীর মো. সিরাজুল ইসলাম কুট কৌশল শুরু করেন।
এক সময় জাতীয় পার্টির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকা সিরাজুল ইসলাম কলেজের উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়ান। ইতিমধ্যে দাতারা কলেজ তহবিলে ১৫ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়ে ভবন নির্মাণের কার্যক্রম শুরু করেন। তারপরও থেমে থাকেননি সিরাজুল ইসলাম। তিনি নিজে ও এলাকার কিছু অসৎ লোকদের নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় এ অবস্থা চলতে থাকলে দাতারা উন্নয়ন বরাদ্দ বন্ধ করে দিলে আরেকদফা অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখে পড়বে কলেজটি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কলেজ অধ্যক্ষ নেছার আহমদ, অভিভাবক সদস্য আনোয়ার খান, মনিরুজ্জামান লিলু, দাতা সদস্য আলতাব মিয়া, সেলিম আহমদ, বাবুল আখতার, অধ্যাপক ইলিয়াছুর রহমান, আব্দুল মুমিন, আবুল কাহের, আতিকুর রহমান, আব্দুল মুকিত সুমন, সেলিম আহমদ প্রমুখ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি।