সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৩১

আফগান শিশু বিমানে ভূমিষ্ঠের পর নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন

আফগান শিশু বিমানে ভূমিষ্ঠের পর নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন

শীর্ষবিন্দু আর্ন্তজাতিক নিউজ: / ৬৬
প্রকাশ কাল: সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১

যুক্তরাষ্ট্রের এক উদ্ধারকারী সামরিক বিমানে সন্তান প্রসব করেছেন আফগানিস্তান থেকে পালানোর পথে এক নারী। তবে আকাশে জন্ম নেয়া ঐ শিশুর জাতীয়তা কী হবে তা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। খবর বিবিসির।

কেউ কেউ বলছেন, শিশুটি যেহেতু মার্কিন পতাকাবাহী এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধন করা সামরিক বিমানে জন্মগ্রহণ করেছে সেজন্যে তার মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়া উচিত। আরেক পক্ষ বলছেন, যেহেতু বিমানটি জার্মানিতে অবতরণের পর শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়েছে, তাই জার্মান নাগরিকত্বই তার প্রাপ্য।

এ বিষয়ে এভিয়েশন বিষয়ক এক পত্রিকার নিবন্ধে সামনার হাল লিখেছেন, বিমানপথে জন্ম নেয়া শিশুর নাগরিকত্বের বিষয়টি একটু জটিল। তিনি লিখেছেন, স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী, শিশুর নাগরিকত্ব নির্ধারিত হয়ে থাকে তার মা‌য়ের (এবং বাবার) নাগরিকত্ব অনুযায়ী, যাকে বলে ‘জুস স্যাংগুইনিস’ (রক্তের অধিকার)। কিন্তু কোন কোন দেশ তার সীমানার মধ্যে শিশুর জন্ম হলে তাকে নাগরিকত্ব দেয়। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে এই নিয়ম আছে।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ফরেন অ্যাফেয়ার্স ম্যানুয়াল অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগলিক সীমানার বাইরে যে কোন স্থান যেমন দূতাবাস, কনসুলেট, সামরিক বিমান কিংবা ঘাঁটি ইত্যাদিতে জন্ম নিলেও কোন শিশু মার্কিন নাগরিকত্বের অধিকারী হবে না। যদি না তার পিতামাতার অন্তত একজনের মার্কিন নাগরিকত্ব থাকে।

তবে এই ম্যানুয়াল অনুযায়ী, আমেরিকার সীমান্তের ভেতরে ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে কোন শিশুর জন্ম হলে তাকে নাগরিকত্ব দেয়ার বিধান রয়েছে। একে বলে ‘জুস সলি’ বা ভূমির অধিকার। কিন্তু অন্যান্য দেশে যেমন- জার্মানিতে, এই অধিকার থাকে না। সে দেশের নাগরিকত্ব পেতে হলে পিতা-মাতার অন্তত একজনের জার্মান নাগরিকত্ব থাকতে হবে এবং অন্যান্য বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। আর শরণার্থী শিশুর নাগরিকত্বের বিষয়টিতেও একেক দেশে একেক আইন ব্যবহার করা হয়।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2021