শীর্ষবিন্দু নিউজ: আজ শুভ বড়দিন। খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব। যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষে যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন দেশে এই উৎসব পালন হয়ে আসছে।
প্রকৃতিগতভাবে সম্পূর্ণ ধর্মানুষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও, একাধিক অ-খ্রিস্টান সম্প্রদায়ও মহাসমারোহে পালন করে বড়দিন উৎসব। বড়দিন উপলক্ষে দেশে বিদেশের বিভিন্ন গির্জা গুলোকে সাজানো হয়েছে মনোরম সাজে। খ্রিষ্টিয় ধর্মালম্বীদের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেবার দিন আজ।
দেশে চলমান রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে উৎকণ্ঠিত খ্রিস্টান ধমাবলম্বীরা যেন নির্বিঘ্নে বড়দিন পালন করতে পারে সে জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে অতিরিক্ত প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজধানী ঢাকাকে তিন স্তরের নিরাপত্তার বেষ্টনীতে ঢেকে দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ গির্জাগুলোর প্রহরায় ১ ডিসেম্বর থেকে নিযুক্ত করা হয়েছে দুইশ’ আনসার সদস্য।
মহান সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচার, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভালবাসার মাধ্যমে বিশ্বকে মানুষের শান্তির আবাস ভূমিতে পরিণত করার লক্ষ্যে যুগে যুগে যেসব মহামানব পৃথিবীতে এসেছেন তাদের মধ্যে যিশু খ্রিস্ট ছিলেন অন্যতম। তিনি পথভ্রষ্ট মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার আহ্বান জানিয়েছেন, সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্য লাভের পথ দেখিয়েছেন। আবহমান কাল থেকে এদেশের মানুষ ভালবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। দেশে বিদ্যমান সম্প্রীতির এই সুমহান ঐতিহ্যকে আরো সুদৃঢ় করতে সবাইকে কার্যকর অবদান রাখতে হবে।
খ্রিস্টান ধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিস্ট এ দিনে বেথেলহেমে জন্মগ্রহণ করেন। শোষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য পৃথিবীতে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই ছিল যিশু খ্রিস্টের অন্যতম ব্রত। বিপন্ন ও অনাহারক্লিষ্ট মানুষের জন্য মহামতি যিশু নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তার জীবনাচরণ ও দৃঢ় চারিত্রিক গুণাবলীর জন্য মানব ইতিহাসে তিনি অমর হয়ে আছেন।