নুরুল আমিন: মওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকীকে জবাই করে হত্যার আগে রেকি করে কিলিং মিশনে অংশ নেয় খুনিরা। বেশ কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়ে ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয় তাকে। আর এতে অংশ নেয় ১০ থেকে ১২ জনের একটি প্রশিক্ষিত গ্রুপ। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্যই পাওয়া যায়।
গোয়েন্দা পুলিশ ও তদন্ত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে সাত ব্যক্তি বাসায় প্রবেশ করে। এ সময় বাইরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে রাখা হয় আরেকটি গ্রুপকে। এই গ্রুপেও ছিলো পাঁচ থেকে ছয় জন। বাসায় প্রবেশ থেকে শুরু করে কিলিং মিশন শেষ করতে প্রায় ঘণ্টা খানেকের মতো সময় নেয় ঘাতকরা।
পরিবারের দাবি, ধর্মীয় মতাদর্শের কারণে বিভিন্ন সময় নুরুল ইসলাম ফারুকীকে টেলিফোন করে হুমকি–দমকি দেওয়া হতো। মোবাইলে ফোন না করে বাসা এবং অফিসের টেলিফোনে ফোন করে তাকে হুমকি দিতো ঘাতকরা। ঘটনার দিনও তার অফিসের টেলিফোনে ফোন করে ঘাতকরা। এরপর তারা বাসায় আসে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরে-বাংলা থানার পুলিশ পরিদর্শক সাব্বির আহমেদ বাংলানিউজকে জানান, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটনায় খুনিরা। তিনি বলেন, নুরুল ইসলাম ফারুকী সুন্নী মতাদর্শের ছিলেন। তিনি মিলাদ ও মাজার জিয়ারতের পক্ষে কথা বলতেন। এজন্য বিভিন্ন সময় তাকে হুমকি-দমকিও দেওয়া হয়েছে বলে পরিবার থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।