বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৪

আমদানি মূল্য কমায় বেড়েছে পেঁয়াজ আমদানি

আমদানি মূল্য কমায় বেড়েছে পেঁয়াজ আমদানি

ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানিকৃত সব ধরনের পেঁয়াজের আমদানি মূল্য কমে যাওয়ায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি বেড়ে গেছে। ফলে দেশের বাজারে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। আমদানি মূল্য বেশি থাকায় গত সপ্তাহে ভারত থেকে আমদানিকৃত ইন্দো জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল প্রতি কেজি ২৬ টাকা থেকে ২৭ টাকা। পাটনা জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ২৭ টাকা থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে।

বাংলাহিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, পেঁয়াজের আমদানি মূল্য ৫০৫ ডলার থাকায় হিলি স্থল বন্দর দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হতো। বর্তমানে পেঁয়াজের আমদানি মূল্য কমে ৩০৫ ডলার হওয়ায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত রোববার থেকে পেঁয়াজের আমদানি বেড়ে গেছে।শুধুমাত্র বৃহস্পতিবারই (২৮ আগস্ট) ভারত থেকে ৩৬ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় ও দাম সহনীয় পর্যায়ে আসায় পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য প্রতি মেট্রিকটন ৫০৫ মার্কিন ডলার থেকে ৩০৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করে ভারতের মূল্য নির্ধারণী সংস্থা ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কোঅপারেটিভ মাকের্টিং ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (ন্যাফেড)।

এর আগে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ও পেঁয়াজের মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি হওয়ার ফলে পেঁয়াজ রপ্তানিকে নিরুৎসাহিত করতে দু’দফায় প্রতি মেট্রিকটন ১৫০ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে প্রথমে ৩০০ মার্কিন ডলার পরে আবার বাড়িয়ে ৫০৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছিল ভারতের মূল্য নির্ধারণী সংস্থা ন্যাফেড।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজের পাইকারি ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম জানান, পেঁয়াজের আমদানি মূল্য কমায় বৃহস্পতিবার ভারত থেকে আমদানিকৃত ইন্দো জাতের পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে প্রকার ভেদে ২২ টাকা থেকে ২৪ টাকা দরে আর পাটনা জাতের পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ২৫ টাকা থেকে ২৬ টাকা দরে।

এদিকে, শুক্রবার হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে ভারত থেকে আমাদানিকৃত প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা থেকে ২৬ টাকা। আর পাটনা জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৭ টাকা থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে। দেশি জাতের পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২ টাকা থেকে ৩৫ টাকা।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপের আহ্বায়ক হারুন উর রশীদ হারুন জানান, ভারত সরকার কর্তৃক পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য কমানোর ফলে অনেক আমদানিকারকগণ প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজের এলসি খুলেছেন। এসব পেঁয়াজ আগামী দু’একদিনের মধ্যেই বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু করবে। তখন হয়তো পেঁয়াজের বাজার দর আরো একটু কমবে।

হিলি স্থলবন্দর শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার (এসি) মহিবুর রহমান ভুঞা বলেন, পেঁয়াজের আমদানি পর্যায়ে কোনো ডিউটি আরোপ না থাকায় বর্তমানে আমদানিকারকদের ঘোষণা মূল্য ৩০৫ মার্কিন ডলার মূল্যে প্রতি মেট্রিকটন পেঁয়াজ শুল্কায়ন করা হচ্ছে।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2025