
রয়টার্স: ইরাক ও সিরিয়ায় লড়াইরত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যাতে তাদের হাতে বন্দী এক ব্রিটিশ নাগরিকের শিরশ্ছেদের কথা বলা হয়েছে।
<a href=’http://ads.bdnews24.com/openx/www/delivery/ck.php?n=af4031b0&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE’ target=’_blank’><img src=’http://ads.bdnews24.com/openx/www/delivery/avw.php?zoneid=120&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&n=af4031b0′ border=’0′ alt=” /></a&gtব্রিটিশ নাগরিক ডেভিড হেইনস ফরাসি সংস্থা এজেন্সি ফর টেকনিক্যাল কোঅপারেশন অ্যান্ড ডেভলেপমেন্টে (এসিটিইডি) কর্মরত অবস্থায় গত বছর সিরিয়ায় অপহৃত হন। ৪৪ বছর বয়সী হেইনসের দুই ছেলে-মেয়ে রয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দুই নাগরিকের শিরশ্ছেদ করে ইসলামিক স্টেট। ইরাকে তাদের ওপর হামলার জবাবে ওই দুই মার্কিনিকে হত্যা করা হয় বলে আইএসের ভিডিওতে বলা হয়। শনিবার প্রকাশিত ভিডিওতে আইিএসের হাতে বন্দী আরেক ব্রিটিশ নাগরিককে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে।
আমেরিকার দোসরদের প্রতি বার্তা শিরোনামের ওই ভিডিওর শুরুতে দেখা যায়, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ইসলামিক স্টেটকে দমনে ইরাক সরকার ও তাদের মিত্র কুর্দি পেশমারগা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলছেন। এতে দেখা যায়, কমলা গাউন পরা হেইনস হাঁটু গেড়ে বসে আছেন। তার পাশে দাঁড়ানো কালো পোশাকের এক মুখোশধারী বলছেন, ক্যামেরন, ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে পেশমারগাকে অস্ত্র দেয়ার তোমার প্রতিশ্রুতির মূল্য দিতে হবে এই ব্রিটিশকে।
এরপর নতজানু হয়ে থাকা ব্যক্তির শিরশ্ছেদের চিত্র দেখা যায়। ভিডিওটির শেষদিকে আরেক বন্দীকে দেখানো হয় এবং মুখোশধারীকে বলতে শোনা যায়, ক্যামেরন ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমর্থন অব্যাহত রাখলে তাকেও হত্যা করা হবে। হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে খুনীদের বিচারের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন ক্যামেরন।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এটা খাঁটি শয়তানের কাজ। এই খুনীদের ধরতে এবং তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে আমাদের ক্ষমতার সব কিছু করবো। হোয়াইট হাউজের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মুখপাত্র কেইটলিন হেইডেন এই ভিডিও নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিতের বিষয়টি ব্রিটিশ সরকারের উপর ছেড়ে দেন তিনি।
ভিডিওতে হেইনসকে বলতে শোনা যায়, তার মৃত্যুর জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন দায়ী। তুমি স্বেচ্ছায় ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জোটে গেছো, যেমনটি তোমার পূর্বসূরি টনি ব্লেয়ার করেছিল। আমাদের ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে একটি প্রবণতা চলে আসছে, যাতে তারা আমেরিকানদের না বলার সাহস দেখাতে পারেন না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, পরিণামে আমরা ব্রিটিশ নাগরিকরা আমাদের পার্লামেন্টের স্বার্থপর সিদ্ধান্তের মূল্য দিই, বলেন তিনি।
মার্কিন সাংবাদিক জেমস ফলি ও স্টিভেন সটলোফের শিরশ্ছেদের ভিডিওতেও প্রেসিডেন্ট ওবামার উদ্দেশ্যে তাদের একই ধরনের কথা বলতে শোনা যায়। তবে ইসলামিক স্টেট নিজেদের লেখা বক্তব্য জোর করে মার্কিন দুই সাংবাদিককে পড়তে বাধ্য করেছে দাবি করে তা নাকচ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।