সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৯

ব্যস্ত কামারপট্টি

ব্যস্ত কামারপট্টিনিউজ ডেস্ক: ঈদ উল আজহাকে সামনে রেখে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কুষ্টিয়ার কামারপট্টির বাসিন্দারা। কোরবানির পশু জবাইয়ের ছুরিসহ নানা উপকরণ তৈরিতে বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা।

স্থানীয় কামারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শুধুমাত্র কোরবানি ঈদে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ব্যবসা করার আশা করছেন তারা। কুষ্টিয়ার সদরপুর গ্রামের আবদুল্লাহ কামার বলেন, সারা বছর আমাদের মোটামুটি বিক্রি হয়। তবে এই সময় বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি। তবে উৎপাদন ও প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় লাভ আগের চেয়ে কম।

তিনি জানান, কুষ্টিয়ার বড়বাজার, মিরপুর, খোকসা, কুমারখালী, দৌলতপুর ও ভেড়ামারার বিভিন্ন জায়গায় কামারদের জমজমাট ব্যবসা থাকলেও রাজারহাটের মতো কোথাও নেই। আশির দশকের শুরু থেকে এখানে ব্যবসা শুরু করেছেন দা, বটি, চাপাতি তৈরির কারিগররা।

মিরপুরের শংকর কুমার কর্মকার বলেন, আমরা দা, বটি, চাপাতি, ছুরিসহ লোহা দিয়ে সব সরঞ্জাম তৈরি করি। দেশের প্রায় অনেক জেলাতে প্রয়োজন অনুযায়ী এসব সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়। দাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লোহা এবং কয়লার দাম বাড়ার কারণে দা, বটি, চাপাতিসহ অন্যান্য সরঞ্জামের দাম বাড়ানো হয়েছে।

বড়বাজার ও রাজারহাটের বিভিন্ন কামারের দোকান ঘুরে জানা যায়, বর্তমানে প্রতি পিস বটি পাইকারী ২০০ টাকা, খুচরা ২৫০- ৩০০ টাকা, চাপাতি পাইকারী ৩৫০, খুচরা ৫০০ টাকা, ছুরি সর্বনিম্ন ৬০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। তবে জবাই করার ছুরি ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বিক্রেতা হাসান বলেন, কুষ্টিয়ার রাজারহাট থেকে মালামাল নিয়ে যাই। কারণ এখান থেকে মাল নিলে অন্য জায়গা থেকে কম দামে নেওয়া যায় এবং এরা সরঞ্জামগুলো ভালো করে তৈরি করে। তিনি আরো বলেন, বছরে একবারই চাপাতি, ছুরি, বটির চাহিদা বেশি থাকে। এ জন্য আগে থেকেই এগুলোর মজুদ করে রাখছি। তবে কামারপট্টির কারিগরা অভিযোগ করেন, তাদের পরিশ্রমের তুলনায় মজুরি অনেক কম।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026