আফসার বিপুল: মক্কায় মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র একটি স্থানের সামনে বাবাকে জড়িয়ে ধরে সেলফির জন্য হাঁত বাড়িয়ে দেন ইউসুফ আলী- এবারের হজে এই প্রবণতা দেখা গেছে ব্যাপকভাবে।
বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে নিতে পারেননি অনেকে। রক্ষণশীল মুসলিমদের মধ্যে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে বলে রোববার যুক্তরাজ্যভিত্তিক দৈনিক টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আমি যেখানে যাই সেখানেই ছবি তুলি। বিশেষ করে এখন আমাদের কাছে এই ক্ষুদ্র ক্যামেরাগুলো আছে। এটি দিয়ে এই এলাকার পুরো দৃশ্য তুলে নেয়া যায়, হাসিমুখে বলেন এই কুয়েতি যুবক। ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই বিষয়টি অবশ্য সবার কাছে সমান গ্রহণযোগ্যতা পায়নি, রক্ষণশীল মুসলিমরা এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেউ কেউ টুইটারে নিজেদের ছবি তোলা (সেলফি) হাজিদের সমালোচনা করেছেন।
নব্বই দশকের মাঝামাঝি আমরা যখন উমরা করতে গিয়েছিলাম, হারাম! বলে চিৎকার করে বাবা তখন নিজের ক্যামেরা প্রায় বাজেয়াপ্ত করেছিলেন। এখন হজসেলফি একটি বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এ কি এক বিশ্ব! টুইটে বলেছেন একজন।

হজসেলফি নিয়ে লোকজন বিরাট একটি ইস্যু তৈরি করছে। হজের সময় যদি ছবি তোলার অনুমোদন দেয়া হয় তাহলে সেলফিতে সমস্যা কোথায়? প্রশ্ন তুলেছেন আব্দুল মুফেজ শহীদ। কোনো সমস্যা নেই, বলেন ইউসুফ আলীর ৬৫ বছর বয়সী বাবা মোহাম্মদ আলী। একটি বিরল অনুষ্ঠানের স্মৃতি ধরে রাখার জন্যই এরকম ছবি তোলা হয়, বলেন তিনি।
এ বিষয়ে সৌদি আরবের ইসলামি শরিয়া আইনের এক অধ্যাপক বলেন, “ছবি যদি ব্যক্তিগত স্মৃতির জন্য তোলা হয় এবং আত্মপ্রচারের জন্য না হয়, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।
