
নিউজ ডেস্ক: হাজীদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু বুধবার থেকে। কিন্তু এর আগেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জেদ্দা অফিসে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশি হাজীরা।
মঙ্গলবার দুপুরে জেদ্দার বিমান অফিসে গিয়ে দেখা গেছে, বিশেষ কারণে পুর্বনির্ধারিত সময়ের আগে দেশে ফেরত যেতে মক্কা থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে জেদ্দা বিমান অফিসে টিকিটের সময় পরিবর্তন করতে আসেন হাজীরা। কিন্তু হাজীদের কষ্ট বা সময়ের কোনো মূল্য নেই কাস্টমার অফিসারদের কাছে।
অফিসের প্রধান ফটকে অফিসের সময়সূচি স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত লেখা থাকলেও স্থানীয় সময় দুপুর পৌনে একটায় হাজীদের সেবা দেওয়ার কেউ ছিলেন না। বিমান অফিসের ভেতরে তখন শতাধিক হাজীর জটলাও দেখা গেছে।
কাস্টমার ডেস্কে একজন কর্মকর্তাকে পাওয়া গেলেও তিনি মোবাইল টিপতে এতোটাই ব্যস্ত ছিলেন যে, যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলার সময়টুকু তার নেই। অফিস চলাকালীন সময়ে কাস্টমার ডেস্ক ফাঁকা কেনো জানতে চাইলে বিমানের সৌদি আরব কান্ট্রি ম্যানেজার মো. আবু তাহের বাংলানিউজকে বলেন, মনে হয় খেতে গেছে। চলে আসবে কিছুক্ষণের মধ্যেই।
এদিকে সৌদি আরবের আইনের তোয়াক্কাও করছে না জেদ্দা বিমান অফিস। মসজিদে আযান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অফিস বন্ধ করার নিয়ম থাকলেও জেদ্দা বিমান অফিসে গিয়ে সেরকম কিছু দেখা যায়নি।

তবে ফজলুর রহমানের দুর্ব্যবহারের কথা মানতে নারাজ কান্ট্রি ম্যানেজার আবু তাহের। মঙ্গলবার সেবা গ্রহণ করতে ইচ্ছুক যাত্রীর সংখ্যা শতক ছাড়ালেও দুপুর আড়াইটা নাগাদ তিনজন কাস্টমার অফিসার ২০ জনকে সেবা দিতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের কাজের গতিও অত্যন্ত ধীর। একটি টিকিট রি-কনফার্ম করতে মক্কা থেকে জেদ্দা আসা যেমন কষ্টের, তেমনি ব্যয়বহুল। তাই হাজীদের সেবার জন্য জনবল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগীরা।