আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: অভিবাসীর ওপর নির্ভরশীল এমন সঙ্গীকে আকামা পরিবর্তন না করেই বেসরকারি খাতে কাজ করার অনুমতি দিচ্ছে সৌদি আরব। এ বিষয়ে এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রম মন্ত্রণালয়। এর ফলে বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিপুলসংখ্যক শ্রমিক কাজ করার সুযোগ পাবেন। শুক্রবার সৌদি আরবের একটি পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে এ কথা বলা হয়।
এতে আরও বলা হয়, যেসব অভিবাসী তার সহচর অভিবাসীর ওপর বোঝা হয়ে আছেন, তার ওপর নির্ভর করে তাকে চলতে হয় সেসব অভিবাসীর জন্য কাজের দরজা খুলে দিচ্ছে সৌদি আরব। ফলে তিনি বেসরকারি খাতে যে কোন কাজ নিতে পারবেন। এ জন্য তাকে আকামা পরিবর্তন করার কোন প্রয়োজন হবে না। এর আগে এ সুবিধা দেয়া হয়েছিল শুধু বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক মানের স্কুলগুলোর চাকরিতে।
এর মধ্যেই এ সুবিধা সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু শ্রমমন্ত্রী আদেল ফাকিহ নিয়মিত নারী-পুরুষ অভিবাসীদের এ সুবিধা দিচ্ছেন। তারা বুঝতে পেরেছেন বিদেশ থেকে নতুন করে শ্রমিক নেয়ার চেয়ে গৃহীত এ ব্যবস্থাই উত্তম। তবে যেসব কোম্পানি অথবা প্রতিষ্ঠিত কোন সংস্থা যদি নির্ভরশীল এমন শ্রমিককে নিয়োজিত করতে চান তাহলে অবশ্যই তাদের থাকতে হবে গ্রিন নিতাকাত জোনে। এতে তাদের নিয়োগ দেয়া সহজ হবে।
যে অভিবাসীর ওপর তিনি নির্ভরশীল তার জ্ঞাতসারে তাকে এ কাজ নিতে হবে। তবে নির্ভরশীল অভিবাসীর অবশ্যই থাকতে হবে বৈধ আকামা। বয়স হতে হবে ৬০ বছরের নিচে। অন্য প্রতিষ্ঠানে তিনি কাজে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না এবং তিনি যোগ্যতার দিক দিয়ে কাজ পাবেন যদি কাঙ্ক্ষিত পদে সৌদি আরবের কোন প্রার্থী না থাকেন। অভিবাসীদের মর্যাদা সংশোধন বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে লিয়াজোঁ শেষে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়। বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন পবিত্র দুই মসজিদের রক্ষক বাদশা আবদুল্লাহ।
ওদিকে চাকরিতে নারীদের নিয়োগবিষয়ক বা নারীকরণের কাজ উদ্বোধন হচ্ছে আজ। নারীরা কাজ নিতে পারবেন মাতৃসেবা কেন্দ্রে, নারীবিষয়ক দোকানে। শ্রম মন্ত্রণালয় বলেছে, এ কাজে প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় নারীদের যে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তাতে নারীরা কাজের সুযোগ পেয়েছেন নারীদের অন্তর্বাস, কসমেটিকস, কনের পোশাক, নারীদের বিভিন্ন রকম পোশাক বিক্রিতে।