মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩২

বিশ লাখ টাকায় ঈদ শাড়ি

বিশ লাখ টাকায় ঈদ শাড়ি

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: বাঙালি নারীর সঙ্গে শাড়ির সম্পর্কটা জন্মগত। তাই যে কোনো উৎসব পালা পার্বণে নারীর প্রথম পছন্দ শাড়ি। আর ফ্যাশন হাউজগুলোও এসব কথা মাথায় রেখে শাড়ির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। ঢাকার মধ্যে সবচে এক্সক্নুসিভ শাড়িগুলো পাওয়া যাচ্ছে গুলশানের ফ্যাশনন হাউজগুলোতে।

এখানে এক লাখ থেকে শুরু করে বিশ লাখ টাকা মূল্যের শাড়িও পাওয়া যায়। তবে দশ লাখ বা বিশ লাখ টাকার শাড়ি কিনতে হলে আগেই অর্ডার দিয়ে রাখতে হবে আপনাকে। এক লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের শাড়ি সব সময়ই পাওয়া যায় শোরুম গুলোতে।

তেমনি একটি শোরুম স্টাইলসেল। অর্ডার করলেই তারা তৈরি করে দেবে বিশ লাখ টাকার শাড়ি। স্টাইল সেলের জেনারেল ম্যানেজার মিজানুল করিম প্রিয়.কমকে জানান, সাধারণত বিয়ের জন্য এসব শাড়ির অর্ডার নেয়া হয়। এছাড়া ঈদ উপলক্ষেও তারা গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ডিজাইনের শাড়ি এনেছেন।

এসব শাড়িগুলো মূলত কাতান, মখমল, জরজেট, জামদানীর হয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরনের দামি পাথর ও স্বর্ণের জড়ি ব্যবহারের ফলেই এগুলোর দাম হয় আকাশছোঁয়া। এছাড়া এসব শাড়ি ওজনেও বেশ ভারি। একেকটা শাড়ি পাঁচশো গ্রাম থেকে পাঁচ কেজি ওজনের হয়ে থাকে।

শুধু স্টাইলসেল নয় পোশাক শিল্পে আভিজাত্যের শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে গুলশানের আরো বেশ কিছু ফ্যাশন হাউজ। এর মধ্যে ভাসাভি, জারা, নাবিলা অন্যতম। নাবিলায় শাড়ি পাওয়া যায় এগারো লাখ টাকায়। যদিও পনের হাজার থেকে শুরু হয়েছে তাদের শাড়ি। এই ফ্যাশন হাউজটি গুলশান-১ এ অবস্থিত। ভাসাভি গুলশানের অন্যতম ফ্যাশন হাউজ। দামি শাড়ি কিনতে হলে আপনার এখানেও ঢু মারা উচিত। তিন চার লাখ টাকা দামের শাড়িও আপনি এখানে পাবেন।

তবে কিছু দিন আগে অর্ডার দিলে আপনি কাঙ্খিত শাড়িটি পেয়ে যাবেন। ভাসাভির জেনারেল ম্যানেজার রোনালড থমাস জানান, প্রতি ঈদের মতোই এবারও তারা সব ধরনের পোশাক দিয়ে সাজিয়েছেন তাদের হাউজটি। তিনি বলেন, “গুলশান সম্পর্কে অনেকে ভয় পান। কিন্তু ভেতরে না আসলে ঘুরে না দেখলে ক্রেতারা কিভাবে বুঝবেন যে এখানে সব ধরনের মানুষদের জন্যই আমরা রয়েছি। এখানে যেমন চার লাখ টাকা দামের শাড়ি পাওয়া যায়। তেমনি ৩০০০ টাকার শাড়িও এখানে বিক্রি হয়।’

জারা সব ধরনের মানুষের জন্যই তাদের ঈদ পসরা সাজিয়ে রেখেছে। ফ্যাশন হাউজটির ছয়জন ডিরেক্টারের একজন হচ্ছেন আমির হোসাইন। তিনি বলেন, ‘এক থেকে দেড় লাখ টাকা দাম পর্যন্ত শাড়ি সব সময় পাওয়া যায়। আর সব ধরনের কাস্টোমারই আমাদের এখানে আসে। তবে বেশি আসে এলিট শ্রেণীর ভোক্তা। সাধারণত ঢাকা ক্লাব উত্তরা ক্লাব, গুলশান ক্লাব, ধানমন্ডি চট্টগ্রাম নারায়নগঞ্জ ও খুলনা ক্লাবসহ দেশের বিভিন্ন উচ্চবিত্তরাই। আমাদের প্রধান কাস্টোমার।

এছাড়া বিভিন্ন আমলা, পুলিশ অফিসারা আমাদের কাস্টমার। যেমন গতকালকেই দুদক এর হেড আমাদের এখানে শপিং করে গেছেন। সাধারণত দেশের বড় অফিসাররা ছুটি পান না। তাই বিদেশ না গিয়ে দেশ থেকেই তারা তাদের ঈদ শপিং করে থাকেন।’

মূলত আভিজাত্যের মূল হচ্ছে কারো শাড়ি বা অন্য কোন পোশাকের সঙ্গে নিজের পোশাকটির কোন মিল যেন না থাকে। কার চেয়ে কার পোশাকটি সেরা, তার পোশাকটি আমার পোশাকের সঙ্গে মিল নেই তো? তার চেয়ে আমি কিন্তু কম নই ভাবটা যেন এমন। তার চেয়ে আমারটা অবশ্যই দামি ও সেরা হতে হবে। কেউই আভিজাত্যের প্রশ্নে কোন আপস করতে চান না। আর এসব কারণেই আপনি এসব হাউজগুলোয় বিশেষ করে দামি পোশাকগুলোর কোন রেপ্লিকা পাবেন না। একটার আর দ্বিতীয়টি নেই।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026