শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত এক বছরে ১৩ শতাংশ নাইফ ক্রাইম বেড়েছে ব্রিটেনে। আর শুধু লন্ডনেই বেড়েছে ১৮ শতাংশ। চলতি বছর শুধু লন্ডনেই এ পর্যন্ত ১০ যুবক ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন।
ব্রিটেনে গত এক বছরে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে নাইফ ক্রাইম। পুরো ব্রিটেনে চাইতে দেড়গুন বেশি বেড়েছে লন্ডনে। খুব সহজে ইন্টারনেটের মাধ্যাম খুব সহজে ছুরি বা এ জাতীয় অস্ত্র কেনার সুযোগ থাকায় ইউকেতে নাইফ ক্রাইম বেড়েছে বলে মনে করছে পুলিশ।
২০১১ সালে মেট পুলিশ কমিশনার স্যার বার্নার্ড হোগান স্টপ এন্ড সার্চ কমানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। স্টপ এন্ড সার্চে এথনিক মাইনোরিটির মানুষকে বেশি হয়রানী করার অভিযোগে এ ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। যদিও স্টপ এন্ড সার্চ কমানোর কারণে ছুরিকাঘাতের ঘটনা বেড়েছে বলে মনে করেন না কমান্ডার বল।
স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের কম্বেটিং গ্যাং ক্রাইমের কমান্ডার ডানকান বল বলেছেন, বিভিন্ন ওয়েব সাইটে আজকাল খুব সহজে বিভিন্ন ধরনের ধারালে ব্লেড জাতীয় অস্ত্র কিনতে পাওয়া যায়। এমন কি বিভিন্ন ইন্ডিপেনডেন্ট শপে এ জাতীয় অস্ত্র এখন অহরহ মিলে। ছুরি বা এ জাতীয় অস্ত্র সহজলভ্য হওয়ায় তা নাইফ ক্রাইম বৃদ্ধিতে বড় ভুমিকা রাখছে বলে মনে করেন তিনি।
ওই সব ওয়েব সাইট বা দোকানগুলোতে এমন ছুরি পাওয়া যায়, যা দিয়ে খুব সহজে মানুষকে আঘাত করা যায়। এছাড়া স্টপ এন্ড সার্চের মাত্রা কমার কারণেও ছুরিকাঘাতের ঘটনা বেড়েছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।
এরইমধ্যে কমিউনিটি পুলিশের সংখ্যা হ্রাস করা হয়েছে। যা বিগত এর সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। এর ফলে অপরাধীরা কোন জায়গায় যে কোন সময়ে নির্বিঘ্নে ক্রাইম করতে পারে বলে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা।