রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০১:৫১

বাংলাদেশ থেকে পোশাক না নেওয়ার ঘোষণা টেসকো

বাংলাদেশ থেকে পোশাক না নেওয়ার ঘোষণা টেসকো

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শীর্ষবিন্দু নিউজ: বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান টেসকো বাংলাদেশের কারখানা থেকে পোশাক নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে। শনিবার কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, ভবনে গুরুতর নিরাপত্তাজনিত সমস্যা খুঁজে পাওয়ার পর টেসকো এ সিদ্ধান্ত নেয়।

সমালোচকদের মতে, অত্যন্ত কম শ্রমের দাম ও নিরাপত্তার এ অবস্থাই ১৬ কোটি মানুষের এ দেশকে পোশাক উৎপাদনের সবচেয়ে সস্তা জায়গায় পরিণত করেছে। পোশাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোও এ অবস্থার উন্নতির ব্যাপারে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। ইউরোপের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যে চুক্তি অনুসারে বাংলাদেশের পোশাক খাতের নিরাপত্তার এ ধরনের অবস্থায় তারা নীতিগত ভাবেই দায়ী থাকবে। নিরাপত্তাজনিত কারণে বিশ্বের বৃহত্তম খুচরা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট বাংলাদেশের কয়েকটি কারখানা থেকেই পোশাক নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

গত এপ্রিলে রানা প্লাজা ধসে বহু শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটার পরে ব্রিটেনভিত্তিক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানটি এ পদক্ষেপ নেয়। টেসকো একটি বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশের পোশাক কারখানা লিবার্টি ফ্যাশনে অবকাঠামোগত জরিপ চালিয়ে ভবনের নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি ধরা পড়ে। টেসকো জানিয়েছিল, যেসব কারখানা থেকে তারা পোশাক কিনবে তার সবগুলোই কাঠামো সংক্রান্ত জরিপে অংশ নেবে। তারা কারখানার মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে উৎপাদন বন্ধ করে হলেও শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। এই কাঠামো সংক্রান্ত জরিপের ফলাফলের ব্যাপারে ঐ কারখানার অন্যান্য ক্রেতা প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিজিএমইএ অবগত রয়েছে। টেসকোর এ কারখানা থেকে পোশাক না নেয়া সবারই সিদ্ধান্ত।

সমালোচকদের মতে, অত্যন্ত কম শ্রমের দাম ও নিরাপত্তার এ অবস্থাই ১৬ কোটি মানুষের এ দেশকে পোশাক উৎপাদনের সবচেয়ে সস্তা জায়গায় পরিণত করেছে। পোশাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোও এ অবস্থার উন্নতির ব্যাপারে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। ইউরোপের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যে চুক্তি অনুসারে বাংলাদেশের পোশাক খাতের নিরাপত্তার এ ধরনের অবস্থায় তারা নীতিগত ভাবেই দায়ী থাকবে। নিরাপত্তাজনিত কারণে বিশ্বের বৃহত্তম খুচরা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট বাংলাদেশের কয়েকটি কারখানা থেকেই পোশাক নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

টেসকো এ ব্যাপারে বিবৃতিতে বলেছে, আমরা খুব দ্রুতই এ বিষয়টি ভবনের মালিকদের জানিয়েছি। আমরা ঐ কারখানায় আমাদের পোশাক উৎপাদন বন্ধের ব্যাপারে বিকল্প খুঁজে বের করতে চেষ্টা করেছি। আমরা হতাশ হলেও এর বিকল্প ছিল না। টেসকো আরো জানায়, “ঐ ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা গুরুতরভাবে আশংকা প্রকাশ করছি। যে কারণে আর কোনো বিকল্প না পেয়ে দ্রুত আমরা ঐ কারখানা থেকে পোশাক নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।

টেসকো আরো জানায়, গত ১২ মাসে তারা বাংলাদেশের ১৫টি কারখানা থেকে পোশাক নেয়া বন্ধ করেছে। বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রানা প্লাজা ধসের পর পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা উন্নয়নের অংগীকার করেছে কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সনাক্তে অর্থের ব্যাপারে কোনো অঙ্গীকার করেনি।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2024