শীর্ষবিন্দু নিউজ: বাংলাদেশে এক ব্যক্তির লোভের কারনে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ ঘরে বাইরে কোন জায়গায় শান্তিতে নেই। রাস্তার মধ্যে বস্তায় বস্তায় মানুষের কংকাল পাওয়া যায়। এটা কোর ধরনের দেশ সেটা আপনার অনুভব করুন। কথাগুলো বলছিলেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রবিবার রাতে সেন্ট্রাল লন্ডনের পার্কপ্লাজা রিভারব্যাংক হোটেলে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নাগরিক সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে আরো বলেন, যে দলের দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য কোন উন্নয়ন পরিকল্পনা থাকে না তখনই সেই সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য বেচে নেয় সন্ত্রাসবাদ। কারনটা হচ্ছে তাদেরকে ক্ষমতায় টিকে থাকলে সন্ত্রাসের মাধ্যমে ঠিকে থাকতে হবে। যাতে জনগন মুখ খুলতে না পারে, সেই জন্য এইসব হত্যাকান্ড ঘটনো হচ্ছে।
তিনি বলেন, নিউইয়র্ক টাইমসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে আজ। সেখানে বলা হয়েছে শেখ হাসিনার নিউইয়র্ক সফরের সময় বিদেশী হত্যার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু সরকাররের মন্ত্রীরা তাদের গালিগালাজ করেছিল। সেই সময় ব্যবস্থা নিলে এই ঘটনা ঘটতনা। এজন্যই আমার মনে হয় এসবের সাথে সরকার জড়িত।
আমার যদি গত দুই দিনের পত্র পত্রিকা দেখি, তাহলে দেখব শনিবার দেশের একটি শহরের বস্তায় বস্তায় মানুষের কংকাল পাওয়া গেছে। যা স্বাধীনতার পর মানুষ দেখেছিল। কিন্তু এখনত দেশে কোন যুদ্ধ নেই। তাহলে এত কংকাল কেন। তিনি বলেন তবে দেশে অন্যরকম যুদ্ধ চলছে। তিনি বলেন, শিশু মায়ের গর্ভেও নিরাপদ নয়। এগুলি নিত্য নৈমিত্ত ব্যাপার। তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, মেঘের খবর নিয়েছেন কে কেউ। নেননি।
এসময় বর্তমান সরকারকে অবৈধ রংহেডেড সরকার অভিহিত করে বলেন, জঙ্গীবাদ বলে সারা বিশ্বকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছে তারা। আমার কেন যেন বিশ্বাস হয় তারাই ঘটাচ্ছে এসব ঘটনা। ঘটনা ঘটিয়ে তারা চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি বিএনপি ও বিএনপির জোটের উপর। তারা গত ৭ বছর যাবত বলে আসছে জঙ্গী আছে। এখন হঠাৎ করে বলছে এরকম কিছু নেই।
তারেক রহমান বলেন, বেগম জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালিন বাংলাদেশকে দ্রুত উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিবেচনা করত। আর এখন সন্ত্রাসবাদ, আতংকিত দেশে পরিনত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন বিখ্যাত কোম্পানীগুলি বাংলাদেশে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে র্গামেন্টে শিল্পের ক্ষতির সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন হচ্ছে না উন্নয়ন হচ্ছে একটি পরিবারের। তিনি সুইচ ব্যাংকের পরিসংখ্যান উল্লেখ করে বলেন, ব্যাংকটি বলছে গত ২০১৩ সালে তাদের ব্যাংকে ৩১ হাজার কোটি টাকা জমা হয়েছে বাংলাদেশ থেকে, পরবর্তীতে ২০১৪ সালে হয়েছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এখন বুঝেন কি পরিমান উন্নয়ন হচ্ছে তাদের। তিনি আরো গত দুই বছরে শুধু ব্যাংকিক ক্ষাত থেকে ৩ হাজার কোটি গায়েব হয়েছে। ব্যাংক লোন রাইট অফ করার নামে ৩হাজার কোটি এ টাকা গায়েব করা হয়।
গুশানের কুটনৈতিক জোনের হত্যাকান্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, সেদিন বিদ্যুৎ কে বন্ধ করল। এর কয়দিন পর রংপুরে একটি ঘটনা ঘটল। আমরা দেখলাম হোসনি দালানে আরেকটি ঘটনা ঘটেছে। আইএফসি বলেছে, বাংলাদেশের ব্যবসা বানিজ্যের পরিবেশ সূচকে আরো কয়েকদাপ পিছিয়ে গেছে।