শীর্ষবিন্দু নিউজ: সম্প্রতি এক গবেষণা তথ্যে টাওয়ার হ্যামলেটসে ইমিগ্রেশন এডভাইসের এক ভয়ানয়ক তথ্য প্রকাশ করেছে টয়েনবি হল কতৃপক্ষ। ট্রাষ্ট্রিং দি ডাইস শীর্ষক এক রিপোর্টে তুলে ধরা হয় কিভাবে টাওয়ার হ্যামলেটসের জনগণ প্রতারিত হচ্ছেন অনভিজ্ঞ অপেশাদার ইমিগ্রেশন এডভাইজারদের কাছে। এই কমিউনিটি সংগঠনটি খুবই প্রচিীন জনসেবামূলব সংগঠন যা ১৮৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
তাদের প্রকাশিত গবেষনা অনুযায়ী টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকার এক তৃতীয়াংশ ইমিগ্রেশন এডভাইজার ভুল এবং বিভ্রান্তি কর তথ্য দিয়ে থাকে।
এবং শতকরা ১০ভাগের কোন বৈধ লাইসেন্স নেই। এই এডভাইজারদের শতকারা ১৪ভাগ অনৈতিক এডভাইস দিয়ে থাকেন। এডভাইজারদের মধ্যে সলিসিটার এবং ওআইএসসি রেজিষ্ট্রার্ড এডভাইজার অন্তভুক্ত রয়েছেন। একই গবেষণা তথ্যে এই ভয়ানয়ক তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
ট্রাষ্ট্রিং দি ডাইস শীর্ষক এই রিপোর্টে টাওয়ার হ্যামলেটস বারায় ১২৭জন ইমিগ্রেশন এডভাইস প্রভাইডার রয়েছে। যারা ফি চার্জ করে এমন ৪৪টি ফার্মে ছদ্মবেশে ভিজিট করে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। এই রিপোর্ট অনুযায়ী প্রায় এক তৃতীংশ এডভাইজার বিভ্রান্তিকর পরামর্শ দিয়েছেন এবং ক্লায়েন্টদেরকে তাদের মামলা জয় লাভের ব্যাপারে ভাল সম্ভাবনা রয়েছে বলেছেন, যেখানে মামলাটি সেরকম নয়।
এই রিপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে টয়নবি হল ৬৬ জনের ইন্টারভিউ নিয়েছে যারা গত ১২ মাসে ইমিগ্রেশন সার্ভিস নিয়েছে। এই গবেষণা তথ্যে যাদের ইন্টারভিউ নেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে ২৯টি গুরুত্বপূর্ন সংস্থার কার্যক্রম অর্ন্তভূক্ত রয়েছে। সেগুলির মধ্যে টাওয়ার হ্যামলেটস ল’ সেন্টার, প্রাকসিস লাইম হাউজ প্রজেক্ট ইত্যাদি।
এই গবেষণার মধ্যে একজন এডভাইজার ক্লাইন্টকে বেআইনি কাজ করার উপদেশ ও দিয়েছেন বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এই গবেষনায় বলা হয় কমিউনিটি নেটওয়ার্ক ও বিভিন্ন পেশার ক্লায়েন্টদেরকে সঠিক এডভাইজার খুজে পেতে সহায়তা করবে।
রেগুলেটারি বর্ডি ও ভলান্টারি সেক্টরের এডভাইস প্রভাইডারদের মধ্যে সর্বশেষ তথ্যের অভাব রয়েছে। ভলান্টারি সেক্টরের এডভাইজাররা ক্লায়েন্টদেরকে এমন সব জায়গায় সার্ভিসের জন্য রেফার করেন যে সব সার্ভিসের আদৌ অস্থিত্ব নেই। অথবা তারা কোন ধরনের সাহায্য করতে অক্ষম। থবে এব্যাপারে কি পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে সে বিসয়ে কিছু জানায়নি টয়নবি হল।