মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৭

ভারতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কঠোর হুশিয়ারী: অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী মুসলিমদের মৃত্যুদণ্ড দিন

ভারতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কঠোর হুশিয়ারী: অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী মুসলিমদের মৃত্যুদণ্ড দিন

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশী মুসলিম ইস্যুতে ভারত সরকারকে কড়া সতর্কতা দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। বাংলাদেশী মুসলিম ইস্যুতে ফরেন সিকিউরিটি অ্যাক্ট সংশোধন করার আহ্বান জানিয়েছেন এ সংগঠনের সিনিয়র নেতা প্রবীণ টাগাড়িয়া।

তিনি বলেছেন, তাতে যদি দেখা যায় ভারতে কোন অবৈধ বাংলাদেশী মুসলিম আছেন এবং তারা ভারতকে কব্জায় নিতে এসেছেন তাহলে তাদেরকে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদ- দিতে হবে। তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশীদের অনুপ্রবেশ বন্ধ না করলে পদ হারাতে হবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই।

এতে নরেন্দ্র মোদি ও মানিক সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে, যদি আপনারা বাংলাদেশী মুসলিমদের অনুপ্রবেশ থামাতে ব্যর্থ হন তাহলে আপনাদের পড় ছাড়ার ঝুঁকি আপনারাই সৃষ্টি করছেন। বিশ্ব হিন্দু পষিদের ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট প্রবীণ টাগাড়িয়া বলেন, বাংলাদেশী মুসলিমদের যদি ঢাকায় পুশব্যাক করতে হবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী অথবা ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। যদি তারা তা না করেন তাহলে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাদের থাকা উচিত নয়। আগরতলায় রবীন্দ্র শতবর্ষী হলে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সমর্থকদের এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্পর্শকাতর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশীদের অনুপবেশ ঠেকানোর দায় রাষ্ট্রের প্রধান ও রাজ্যের প্রধানের। উল্লেখ্য, তিন দিনের সফরে ত্রিপুরা অবস্থান করছেন প্রবীণ টাগাড়িয়া। তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আইন পাস করে বাংলাদেশী মুসলিমদের পুশব্যাক করার জন্য একটি সময়সীমা বেঁধে দিতে।

প্রবীণ টাগাড়িয়া বলেন, বাংলাদেশী সব মুসলিমকে উৎখাত করতে সময়সীমা বেঁধে দিয়ে একশন প্লান নিতে হবে। তাতে যাচাই করতে হবে তাদের তারা ভারতীয় না বাংলাদেশী উত্তরাধিকার তা নির্ধারণ হয়েছে কিনা। কেন্দ্রকে তা করতে হবে। বাংলাদেশী মুসলিমদের জন্য বিশেষ করে ফরেন সিকিউরিটি অ্যাক্ট সংশোধন করতে হবে। যদি কোন বাংলাদেশী মুসলিমকে দেখা যায় যে তারা ভারতে অবস্থান করছেন অবৈধভাবে অথবা তারা ভারতকে কব্জায় নিতে এসেছেন তাহলে শাস্তি হিসেবে তাদের মৃত্যুদন্ড দেয়া উচিত। এ জন্য দ্রুত বিচার করতে আদালত গঠন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে অবৈধভাবে বসবাস করছেন এক কোটি ৫০ লাখের বেশি বাংলাদেশী। আরও একই সংখ্যক বাংলাদেশী অবস্থান করছে ভারতের অন্যান্য স্থানে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই নেতা দাবি করেন ১৯৫১ সালের ইলেকট্ররাল রোলের ওপর ভিত্তি করে যাচাই করতে হবে বাংলাদেশীরা অনুপ্রবেশকারী কিনা। তিনি পিতৃত্ব নির্ধারণের জন্য ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পরীক্ষাগার স্থাপন করার আহ্বান জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে।

প্রবীণ টাগাড়িয়া বলেন, বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকারকে অনুপ্রবেশকারী, বিশেষ করে মুসলিমদের বাংলাদেশে অথবা তাদের নিজস্ব দেশে ফেরত পাঠাতে ফরেন ন্যাশনাল অ্যাক্ট কার্যকর করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশী হিন্দুদের বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও চাকরির জন্য স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে দেশজুড়ে।

তিনি আরও বলেন, ভারতে হিন্দুদের নিরাপত্তা, সমৃদ্ধি ও সম্মান চায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। যদি সহসাই উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো বাংলাদেশী মুসলিমদের থেকে রক্ষা করা না যায় তাহলে তা বৃহত্তর বাংলাদেশের অংশ হয়ে উঠবে।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026