সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ১২:১৬

লন্ডনের কিলবার্নে টিউলিপের সাংবাদিক সম্মেলন

লন্ডনের কিলবার্নে টিউলিপের সাংবাদিক সম্মেলন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শীর্ষবিন্দু নিউজ: প্রবাসে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুর নাতনী শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক বলেন, আমার মায়ের কাছ থেকে শুনেছি যে, আমার নানা বলতেন, মানুষের সেবা করা যায় যে কোনো স্থানে থেকেই। যুক্তরাজ্যের আগামী সাধারণ নির্বাচনে লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসনে লেবার পার্টির মনোনয়ন নিশ্চিত করার পর বৃহস্পতিবার প্রথম সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন টিউলিপ।

লেবার পার্টির মনোনয়নযুদ্ধে জয়ী ৩১ বছর বয়সি টিউলিপ বাংলা সংবাদ মাধ্যমগুলোকে নিয়ে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে সপ্রতিভ ভাবে নিজের রাজনীতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন। রাজনৈতিক পরিবারের এই সন্তান বলেন, আমার উদ্দেশ্য মানুষকে সাহায্য করার, বাংলাদেশে বলেন, চায়নায় বলেন, আমেরিকায় বলেন, ইংল্যান্ডে বলেন, মানুষের সমস্যা তো সব জায়গায় থাকে। মানুষের সাহায্য সব জায়গায়ই লাগে। আমার ডিউটি হল গিয়ে মানুষের কাজ করা। সাংবাদিকদের মধ্যে অনেকের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি যদি বাংলাদেশে গিয়ে দাঁড়াতাম, আপনারাই কিন্তু বলতেন, ডায়নেস্টি পলিটিকস। নিজে পেরেছ করতে, না কি তোমার ফেমিলি থ্রু নিয়ে করছ। কিন্তু আমি এখানে রাজনীনিতে যুক্ত। আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমি পারব না পার্লামেন্টে যেতে।

প্রবাসে রাজনীতিতে লেবার পার্টির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্ত ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডন থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী টিউলিপ। ধীরে ধীরে নিজের আসন তৈরি করে এখন হাউস অফ কমন্সে যাওয়ার পথে রয়েছেন বঙ্গবন্ধুর নাতনী। এক্ষেত্রে নিজের চেষ্টাই মুখ্য তার কাছে। টিউলিপ বলেন, আমি এখানে এসে প্রথমে কাউন্সিলর হলাম। লেবার পার্টিতে আমি গর্ডন ব্রাউনের জন্য কাজ করেছি। তারপরে পলিসি অ্যাডভাইসর হিসেবে কাজ করেছি। এরপর আস্তে আস্তে নমিনেশনটা পেয়ে এখন পার্লামেন্টে ঢুকছি। আমি নিজেই করেছি, আমি চাচ্ছি যে আমি নিজেই (নিজের চেষ্টায়) পার্লামেন্টে ঢুকি। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুশনারা আলী বর্তমানে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট সদস্য, তিনিও বিরোধী দল লেবার পার্টির। টিউলিপ নির্বাচিত হলে তিনি হবেন যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে দ্বিতীয় বাংলাদেশি।

টিউলিপ ২০১০ সাল থেকে ক্যামডেন কাউন্সিলের সদস্য। এই কাউন্সিলে তিনিই প্রথম বাঙালি নারী। লেবার পার্টির মনোনয়ন দৌড়ে টিউলিপের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ক্যামডেনের আরেক কাউন্সিলর স্যালি গিমসন ও হ্যাকনি বারার ডেপুটি মেয়র সোফি লিন্ডেন। তবে ভোটাভুটিতে রায় পক্ষে আনেন শেখ হাসিনার ভাগ্নি।

সংবাদ সম্মেলনে শেখ রেহানাও বলেন, ও (টিউলিপ) নিজের প্রচেষ্টায় এত দূর এসেছে, এখানে আমার কোনো সাহায্য নেই। আমি মা হিসেবে দোয়া করি, যতটুকু সাহায্য করার আমি করি, আপনারা ওকে দোয়া করবেন। যেন নানার নাম রাখতে পারে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে কিলবার্নে তার নির্বাসিত জীবনের স্মৃতিচারণ করে মেয়ের জন্য প্রবাসী বাঙালিদের ভোট চেয়েছেন।

 




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2024