শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলে ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে পরীক্ষামূলকভাবে সর্বোচ্চচ গতি সীমা ২০ এমপিএইচ চালু করা হয়েছিলো যা ১৩ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা।
কিন্ত পরীক্ষামূলক ভাবে চালুকৃত ঘন্টায় সর্বোচ্চ ২০ মাইল গতিসীমা চালুর পর টাওয়ার হ্যামলেটসে সড়ক দুর্ঘটনা ও গুরুতর আহত হওয়ার হার নাটকীয়ভাবে হ্রাস পাওয়ায় গোটা বারায় স্থায়িভাবে স্পিড লিমিট বা গতি সীমা ঘন্টায় ২০ মাইল কার্যকর করা হয়েছে।গত ৬ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলের কেবিনেট মিটিংয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়ার পর সড়ক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অগ্রগতির রিপোর্ট পর্যালোচনা করা হয়।
এ প্রসঙ্গে টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র জন বিগস বলেন, বারার রাস্তাগুলোকে নিরাপদ করতে আমি বদ্ধপরিকর। গাড়ি চালক, সাইকেল চালক ও পথচারী সকলের জন্য রাস্তাগুলোকে অধিকতর নিরাপদ করতে আমাদের ত্পরতার উল্লেখযোগ্য একটি অংশ হলো সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘন্টায় ২০ মাইল স্থায়িভাবে চালু করা।
তিনি বলেন, ২০ এমপিএইচ চালুর পর দুর্ঘটনা ও গুরুতর আহত হওয়ার হার লক্ষ্যনীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। সামান্য পরিমান গতি কমালে কত বড় সুফল আসতে পারে, তার প্রমাণ হচ্চেছ এটি। এই উদ্যোগের প্রাথমিক ফল খুবই আশাব্যঞ্জক এবং নতুন এই স্পীড লিমিট বলবত করতে ও নিরাপদ গাড়ি চালানোর বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে আমাদেরকে আরো অনেক কাজ করতে হবে।
কাউন্সিল সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পর গত ৯ মাসের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, মারাত্মক ও গুরুতর দূর্ঘটনার হার ২০ ও ২২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। গোটা বারার জাংশনগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনার হারও ১৩ শতাংশ কমেছে।
কেবিনেট মেম্বার ফর এনভায়রনমেন্ট, কাউন্সিলর আয়াছ মিয়া বলেন, সকল বাসিন্দা বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ, সাইকেলিস্ট ও পথচারীদের জন্য সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা পুলিশ এবং ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন সহ আমাদের সকল পার্টনারদের সাথে ঘনিষ্টভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, যানজট সহনীয় মাত্রায় নিয়ে আসতে, রাস্তার ডিজাইন, গতি কমিয়ে আনার সুফল সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো, বারার রাস্তাগুলোকে পথচারী ও সাইকেলআরোহিদের জন্য আরো নিরাপদ করতে কাউন্সিল বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
উল্লেখ্য, দুর্ঘটনা এবং গুরুতর আহত হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করতে সর্বোচ্চচ গতিসীমা ২০ মাইল ঘন্টায় চালু করতে ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্ট এর পক্ষ থেকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।